গত বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে বাতিল হয়েছে একের পর অনুষ্ঠান। দীর্ঘ সময় পর লকডাউন উঠে গেলেও এখনও পর্যন্ত করোনার ভীতি কাটেনি। শুরু হয়েছে করোনার টিকাকরণ, কিন্তু সাধারণ মানুষ এখনই টিকা পাচ্ছেন না। এই কারণে করোনার ভয়ে সন্ত্রস্ত জনগণ।
গত বছর করোনার কারণে কাটছাঁট করা হয়েছিল গণেশ পুজো থেকে শুরু করে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো, কালীপূজো, এমনকি বড়দিনেও। এবার করোনার কোপে প্রজাতন্ত্র দিবস। এদিনের উৎসবেও অন্যথা হবে না বলেই জানা গিয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানেও হতে চলেছে কাটছাঁট। দর্শকের সংখ্যাও একেবারে কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনটাই খবর মিলেছে সরকারী সূত্রে।
জানা গিয়েছে, প্রত্যেক বছর যতটা রাস্তা হাঁটা হত, এ বছর তাঁর অর্ধেক রাস্তাও হাঁটা হবে না। রাস্তার পরিমাণ ৮.২ কিলোমিটার থেকে ৩.৩ কিলোমিটার করা হয়েছে। প্যারেড হবে বিজয়চক থেকে ন্যাশানাল স্টেডিয়াম পর্যন্ত। এমনকি, প্যারেডেও মানতে হবে সামাজিক দূরত্ব, এমনটাই জানা গিয়েছে। প্রতিটি বাহিনীর মধ্যে থাকবে নির্দিষ্ট দূরত্ব। প্রতি দলে প্রতিযোগীর সংখ্যা ১৪৪ থেকে কমিয়ে ৯৬ করা হয়েছে খবর মিলেছে।
এছাড়াও, সেই স্থানে রাখা হবে ৮টি আইসোলেশন ও রেস্টিং রুম রাখা হবে। কারোর মধ্যে যদি করোনার উপসর্গ লক্ষ্য করা যায়, তাহলে তাদের আইসোলেশনে রাখা হবে। সেখানে থাকবেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাছাড়া, দর্শকের আসনেও অ্যান্টি-ভাইরাল এবং ব্যাকটেরিয়া কোটিং স্প্রে করা থাকবে। সেখানেও থাকবে সামাজিক দূরত্ব।
দর্শকের সংখ্যাও কমিয়ে ২৫ হাজার করা হয়েছে। এও জানানো হয়েছে যে ১৫ বছরের কম বয়সী তরুণ-তরুণীদের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অনুমতি দেওয়া হবে না। দর্শকদের করোনার সমস্ত বিধিনিষেধ পালন করতে হবে। প্রত্যেকের মুখে মাস্ক থাকা বাঞ্ছনীয়। প্রত্যেককে নিজস্ব স্যানিটাইজার রাখতে হবে। প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের প্রবেশপথে থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থাও। অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে দেখা মিলবে অন্য রকম এক পরিস্থিতির।





