ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ নিয়ে সকলেই বেশ চিন্তিত। জরুরি সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির কথা মাথায় রেখে আগের থেকেই কাজ করতে শুরু করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে এই ঝড় আছড়ে পড়ার কথা থাকলেও, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকায় এর প্রভাব পড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ আপাতত পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসগরের পুরী থেকে ৩৯০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। প্রথম ৬ ঘণ্টায় তা উত্তর দিকে যাবে। এরপর তা উত্তর-পুর্ব দিকে সরে গিয়ে দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে। ৫ই ডিসেম্বর পৌঁছবে পুরী উপকূলে। তারপর পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে যাবে।
আজ, শনিবার রাত ৫ই ডিসেম্বর, রবিবার পর্যন্ত উপকূলীয় জেলাগুলিতে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় হাওয়া বইবে। শনিবার পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়ার দু-এক জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আগামীকাল, রবিবার দুই ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলি কলকাতা, দুই মেদিনীপুরে ভারী বলে জানা গিয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর অবস্থিত সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ আজ, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের ১৬.৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৪.৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশের ওপর অবস্থান করছে। আগামী ৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে।
রবিবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। এরপর সোমবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা, নদিয়া, হাওড়া, কলকাতা এবং হুগলি জেলার বেশিরভাগ জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।





