দীর্ঘ লকডাউনে বেহাল হয়ে পড়েছে অর্থনীতি। বন্ধ উৎপাদন, না এসেছে রাজস্ব। না চলেছে সরকারি বাস না ছিল সরকারি কোনও বড় কাজ। চতুর্থ দফার লকডাউনের শেষ দিনে করুন আত্মসমর্পণ দেশের রাজধানীর!
ভাঁড়ার শূন্য, রাজখোষ খাঁ খাঁ। মহামারীতে কার্যত সর্বশান্ত অবস্থা দিল্লি সরকারের। এদিন দিল্লি সরকার স্পষ্ট করে কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে যে তাঁরা আর সরকারি কর্মীদের বেতন দিতে পারবে না, কেন্দ্রের সাহায্য না পেলে।
দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়া জানিয়েছেন, দিল্লি সরকারের কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য ৫০০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এই অর্থ কেন্দ্র দিলে তবেই সমাধান হবে পরিস্থিতির। আর এই মর্মে তিনি চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে।
মণীশ সিসৌদিয়া জানিয়েছেন, তাঁরা রাজস্ব আদায়ের সমস্ত দিক খতিয়ে এ দেখেছেন। প্রতি মাসে তাঁদের প্রয়োজন হয় প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকা কর্মীদের বেতন দিতে। শেষ ২ মাসে জিএসটি সংগ্রহ ৫০০ কোটি টাকা প্রতিমাসে হয়েছে। এরপরও সরকারের কাছে ১৭৩৫ কোটি টাকা রয়েছে। যা দিয়ে কর্মীদের এখন বেতন দেওয়া অসম্ভ হয়ে যাচ্ছে।
দিল্লি সরকার জানিয়েছে তাঁদের ২ মাসে আরও ৭০০০ কোটি টাকা চাই সরকারের। যাতে দিল্লির সরকারী কর্মীদের বেতন দেওয়া যায়। করোনা লকডাউনের জেরে কর আদায়ে ঘাটতি পড়েছে।





