আশার আলো! করোনা বিধিনিষেধ উঠতেই হু হু করে বাড়ল নবরাত্রি ও দুর্গাপুজো সংক্রান্ত নানান পরিষেবার চাহিদা, বলছে রিপোর্ট

গত দু’বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে নানান বিধিনিষেধ লাগু ছিল সমস্ত শহরেই। এর জেরে নানান উৎসবের সময়ও নানান বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়েছে সকলকে। তবে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। দেশ থেকে উঠে গিয়েছে করোনা সংক্রান্ত নানান বিধিনিষেধও। আর এর জেরে ফের নতুন করে নানান পরিষেবা লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে।

দুর্গাপুজো বা নবরাত্রি আসন্ন। এখন জায়গায় জায়গায় চলছে মাতৃবন্দনার প্রস্তুতি। কলকাতা তো বটেই, কলকাতার বাইরেও নানান শহরে দুর্গাপুজো ও নবরাত্রির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। আর এই উৎসব মুখর শহরগুলিতে উৎসব সংক্রান্ত নানান পরিষেবার চাহিদা বাড়ল হু হু করে। আসলে গত দু’বছরে করোনা অতিমারির কারণে সেভাবে বড় করে উৎসব উদযাপন করা হয়নি।

তবে এই বছর তা হচ্ছে। আর উৎসব মানেই নানান মানুষের নানানভাবে আয়ের সুযোগ আর লাভের আশা। কিছু মানুষ তো উৎসবের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন যাতে সেই সময় তাদের কিছু বাড়তি আয় হয়। আর সেটাই হচ্ছে এই বছর। Just Dial-এর এক সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের এই দুর্গাপুজো ও নবরাত্রির সময় ১০০০টি শহর ও মফস্বলে মৃৎশিল্পী থেকে শুরু করে মণ্ডপ সাজসজ্জা, মিষ্টির দোকান, পুজোর নান্না সামগ্রী, ফুলের সাজ ও ক্যাটারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে ২৯ শতাংশ।

Just Dial-এর এই রিপোর্ট বলছে, দেশের প্রথম সারির শহরগুলিতে গত বছরের তুলনায় মণ্ডপ সজ্জার জন্য চাহিদা বেড়েছে ১১৮ শতাংশ। আবার মৃৎশিল্পীদের চাহিদা বেড়েছে ২৯ শতাংশ, ক্যাটেরিং পরিষেবার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৬ শতাংশ, মিষ্টির দোকানে পরিষেবা বেড়েছে ১৩ শতাংশ ও পূজার সামগ্রী কেনাকাটার জন্য চাহিদা বেড়েছে প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত। দুর্গা প্রতিমা তৈরির শিল্পীদের চাহিদা সবথেকে বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে কলকাতাতে। এরপরই রয়েছে দিল্লি ও মুম্বই।

এই রিপোর্ট অনুযায়ী, মণ্ডপ সজ্জার ক্ষেত্রে কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বইতে সবথেকে বেশি চাহিদা রয়েছে। আবার ফুলের সাজের চাহিদা বেশি রয়েছে মুম্বই, দিল্লি ও হায়দ্রাবাদে। দুর্গাপুজো ও নবরাত্রি উপলক্ষ্যে ক্যাটেরিং পরিষেবার চাহিদা বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বইতে। আবার এই শহরে মিষ্টি দোকানেও আয় বেড়েছে বহুগুণেই। চাহিদা বেড়েছে অনলাইন মিষ্টির পরিষেবার। দ্বিতীয় সারির শহরগুলিতে এই সমস্ত পরিষেবার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী উপলক্ষ্যে এই সমস্ত পরিষেবা বহুগুণে বৃদ্ধি পেতে দেখা গিয়েছে।

RELATED Articles