করোনা সংক্রমনের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলাকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে কোলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলাগুলিকে রেডজোন থেকে অরেঞ্জ জোনে নিয়ে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু এরই মাঝে পূর্ব মেদিনীপুরে নতুন করে পাঁচজনের শরীরে ভাইরাসের উপস্হিতি পাওয়া গেল।
হলদিয়া মহাকুমার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা চারজন যুবক। হলদিয়া চারজন যুবক দিল্লি নিজামুদ্দিনে যোগদানকারীদের সংস্পর্শে এসেছিলেন এবং তার থেকেই এই সংক্রমন ছড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। মেচেদার কর্মরত এক সি, আর, পি, এফ কর্মীও রয়েছেন এই পাঁচজনের তালিকায়। এর ফলে আবার নতুন করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় করোনার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গেছে, ২১ এপ্রিল করোনা উপসর্গ নিয়ে হলদিয়া মহাকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন চারজন যুবক। এরপর চারজনের লালারসের নমুনা কলকাতার হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতা থেকে সেই রির্পোট এলে তাতে চারজনেরই করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।
হলদিয়া মহাকুমা হাসপাতালে সুপার ডঃ সুমনা দাসগুপ্তা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে চারজনের শরীরের করোনার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার পর তাদের চারজনকে উদ্ধার করে পাঁশকুড়া করোনা হাসপাতালের চিকিৎসা জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এনাদের পরিবারের বাকী সদস্যদেরও চন্ডীপুরে কোয়ারন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে হলদিয়া চারজন যুবক দিল্লিতে নিজামুদ্দিনের যোগদানকারীদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।
অপর দিকে বুধবার রাতে মেচেদার সি, আর, পি, এফ কর্মীর করোনা পজিটিভ পাওয়ার পরে জানা গেছে গত কয়েকদিন আগে ওই ব্যক্তি দিল্লীতে কাজে গিয়েছিলেন। এরপরই করোনা উপসর্গ নিয়ে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালের ভর্তি হন। তার লালারসের নমুনা পাঠানো হয়। আর তাতেই ভাইরাসের উপস্থিত সামনে আসে। প্রসঙ্গত পূর্ব মেদিনীপুরে জেলার হলদিয়া মহাকুমা এখনও পর্যন্ত নয়জনের করোনার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।





