মেঘালয় সফরে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এই সফরের মধ্যেই বড় ভাঙন ঘটল তৃণমূলে। চারজন বিধায়ককে নিজেদের দলে নিল বিজেপি। এই চার বিধায়কের মধ্যে শাসক দল এনপিপি-র আর বাকি দু’জনের মধ্যে একজন তৃণমূলের ও অন্যজন নির্দলের বিধায়ক। এরা চারজনেই বিজেপিতে যোগ দেবেন।
গত মাসেই এই চারজন দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছেড়েছেন। তাঁরা চারজনই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন সেইসময়। এনপিপি পরিচালনাধীন মেঘালয় গণতান্ত্রিক জোটের অংশ হল বিজেপি। এনপিপি বিধায়ক ফার্লিন সাংমা, বেনেডিক মারাক ও তৃণমূলের এইচ এম সাংপিলাং স্পিকার মেতবাহ লিঙ্গোদের কাছে তাঁদের ইস্তফাপত্র জমা দেন। তাদের সেই ইস্তফাপত্র মঞ্জুরও হয়।
এদিন সদ্য তৃণমূল বিধায়ক জানান যে তিনি ও বাকি ৩ বিধায়কই দিল্লি যাবেন। সেখানে গিয়ে তারা বিজেপিতে যোগ দেবেন। তিনি বলেন, “আমরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য ইস্তফা দিয়েছি। রাজ্যের উন্নয়নে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চাই। কৃষকদের, যুবকদের প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করা দরকার”। বলে রাখি, গত বছর তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে এসেছিলেন। এবার আবার তৃণমূলও ছাড়লেন এবার তিনি।
তিনি জানান যে বিজেপির কেউ মুখ্যমন্ত্রী হলে তবেই সে রাজ্যে উন্নতি সম্ভব। এদিন এক বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা এই চারজনকে গেরুয়া শিবিরে স্বাগত জানান। তাঁর কথায়, এই বিধায়করা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে বিজেপিই একমাত্র দল যারা নির্বাচনী ক্ষেত্রের পাশাপাশি রাজ্যের উন্নতিতেও ভূমিকা নেবে।
বর্তমানে মেঘালয়ের বিধানসভায় এনপিপির ২১জন সদস্য, ইউডিপির ৮জন, পিডিএফের ৪জন, বিজেপির ২ জন, এইচএসপিডিপির দুজন, নির্দল সাতজন সদস্য রয়েছেন। বিরোধী তৃণমূলের ১১জন, কেএইচএনএম-এর একজন, এনসিপির ১জন করে সদস্য রয়েছেন।






