Gate of Ratna Bhandar of Puri Jagannath Temple Opened: অবশেষে ঘটল অপেক্ষার অবসান। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর খুলল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভাণ্ডার (Gate of Ratna Bhandar of Puri Jagannath Temple Opened)। পুরীর মন্দিরের এই ‘গুপ্তধন’ নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে কৌতূহল কিছু কম ছিল না। কী রয়েছে সেই রহস্যময় কক্ষে, তা জানার জন্য উচ্ছ্বসিত সকলেই। অবশেষে জানা গেল সেই রত্ন ভাণ্ডারের বিবরণ।
৪৬ বছর ধরে খোলা হয়নি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের এই রত্ন ভাণ্ডার। আদালতের নির্দেশ থাকলেও নানান বাধাবিপত্তির কারণে তা হয়ে ওঠেনি। তবে এবার উল্টো রথের ঠিক আগের গতকাল, রবিবার খুলে গেল সেই রহস্যময় কক্ষ (Gate of Ratna Bhandar of Puri Jagannath Temple Opened)। এদিন শুভ মুহূর্ত ঠিক বেলা ১টা বেজে ২৮ মিনিটে খোলা হয় রত্ন ভাণ্ডারের দরজা। এই কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন ১১ সদস্যের একটি কমিটি।
সেই ১১ সদস্যের কমিটিতে ছিলেন ওড়িশা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ, শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের মুখ্য প্রশাসক অরবিন্দ পাধি, এএসআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট ডিবি গদানায়ক ও পুরীর গজপতি মহারাজার পরিবারের এক সদস্য। প্রায় চার ঘণ্টা সেই রত্ন কক্ষে ছিলেন তারা (Gate of Ratna Bhandar of Puri Jagannath Temple Opened)। রত্ন কক্ষে থাকা অলঙ্কার সামগ্রী সিন্দুকে ভরে পাঠিয়ে দেওয়া হয় মন্দির চত্বরে অস্থায়ী ভাবে নির্মিত সুরক্ষিত এক ভল্টে।

শোনা যেত, জগন্নাথদেবের এই রত্ন ভাণ্ডার নাকি পাহারা দেন নাগরাজ। সেই কারণে সাপখোপ থাকার আশঙ্কায় ডাক পড়েছিল সর্প বিশেষজ্ঞদের। তবে সেসব কিছুই মেলেনি, বরং দরজা খুলতেই উড়ে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে বাদুড়। এই রত্ন কক্ষের সিন্দুকের চাবি থাকলেও তা খোলা যায়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত তালা ভেঙেই বের হল সেই দেবধন (Gate of Ratna Bhandar of Puri Jagannath Temple Opened)।
#WATCH | Odisha | Ratna Bhandar of Sri Jagannath Temple in Puri re-opened today after 46 years.
Visuals from outside Shri Jagannath Temple. pic.twitter.com/BzK3tfJgcA
— ANI (@ANI) July 14, 2024
কী কী রয়েছে এই রত্ন ভাণ্ডারে (Gate of Ratna Bhandar of Puri Jagannath Temple Opened)?
জগন্নাথদেবের এই রত্ন ভাণ্ডারে কী কী রয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু ঘোষণা করা হয় নি বিশেষজ্ঞ কমিটির তরফে। জানা গিয়েছে, পুরীর মন্দিরে রত্ন ভাণ্ডারের দুটি অংশ রয়েছে। বাইরের অংশে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার যে সোনা-রুপো, মণি-মুক্তের গয়নাগাটি ছিল, তা বিশেষ বাক্সে ভরে স্ট্রং রুমে নিয়ে যাওয়া হয় (Gate of Ratna Bhandar of Puri Jagannath Temple Opened)। সেখানেই গহনা গোনা ও রক্ষণা-বেক্ষণের কাজ হবে।
তবে জানা গিয়েছে, ১৮০ রকমের বহুমূল্য গয়না রয়েছে এই রত্ন ভাণ্ডারে। ৭৪ রকমের ভারী গয়না রয়েছে এর মধ্যে। বাইরের প্রকোষ্ঠে রয়েছে জগন্নাথের একটি সোনার মুকুট ও তিনটি সোনার হরিদকণ্ঠী মালা। জগন্নাথদেব ও বলভদ্রের সোনার শ্রীভুজ বা হাত আর শ্রীপয়ার বা পা-ও রয়েছে এই রত্নভান্ডারে। অনঙ্গভীম দেব মন্দির কর্তৃপক্ষকে জগন্নাথদেবের অলঙ্কার তৈরির জন্য প্রায় দেড় হাজার কেজি সোনা দিয়েছিলেন। সেই সোনাও এই রত্নভাণ্ডারেই রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও সোনা, হিরে, প্রবাল, মুক্তো দিয়ে তৈরি ‘প্লেট’ রয়েছে এই ভাণ্ডারে (Gate of Ratna Bhandar of Puri Jagannath Temple Opened)।





