শরৎ এর আকাশে বর্ষাসুরের ভ্রুকূটি৷ রাজ্যে প্রবল বৃষ্টি। অপরদিকে বিহার, উত্তরপ্রদেশের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ আরও খারাপ হয়ে পরছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী শেষ তিন দিনে এই দুই স্থানেই মৃত সংখ্যা দাঁড়িয়ে ১২৭। আর গোটা দেশ জুড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৪। এমতাবস্থায় আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর।
বিহার এবং উত্তরপ্রদেশের বন্যার পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে৷ বন্যায় আটকে থাকা সাধারণ মানুষদের উদ্ধারে ভারতীয় বায়ু সেনার সাহায্য প্রার্থনা করেছে বিহার সরকার। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবেলা কমিটিও ক্রমাগত কাজ করে চলছে, তবু রীতিমতো নাজেহাল অবস্থা এই দুই রাজ্যের৷ এমতাবস্থায় ফের আবহাওয়া দফতর আগামী ২৪ ঘন্টায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়ায় এই দুই রাজ্যে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা।
রাজধানী পাটনার পরিস্থিতিও অবনতির দিকে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত স্কুল কলেজ। রেল স্টেশনে আটকে রয়েছেন বহু যাত্রীরা। কম বেশি ২৫ টি ট্রেনকে বন্যার দরুন অন্য পথে ঘুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজস্থানের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমাগত ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করছে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের সময় হয়ে গেলেও এখনও তা বিদায় নেয়নি। মৌসুমি বায়ু বিদায় আরও এক মাস প্রায় পিছিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। আর তার দরুণই এবারে শরৎ এর বর্ষার দাপট।
বর্ষার দাপটে ক্রমাগত জল বেড়ে চলেছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের নদীগুলোতে। ফলে বিহার, ঝাড়খন্ডের বিভিন্ন জলধারাগুলো থেকে জল ছাড়া শুরু হয়েছে। আর তারই দরুণ ইতিমধ্যেই লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদা এবং দুই দিনাজপুরে। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে এখনও সক্রিয় রয়েছে মৌসুমী বায়ু যার প্রভাব পরতে চলেছে পূজোর দিনগুলোতেও। পূজোর চারদিনও সক্রিয় থাকবে মৌসুমী বায়ু তবে কবে কি পরিমাণ বৃষ্টি হবে তা এখনও জানাতে পারেননি আবহাওয়াবিদেরা। তবে বলা বাহুল্য যে, দুর্গা পূজোর চারদিনেও মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তা বর্তমান থাকবে।






