মার্চের পর অবশিষ্ট ICSE ও ISC পরীক্ষাগুলো দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, বিজ্ঞপ্তি জারি CISCE-এর তরফে

করোনার চলতে নতুন বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা CISCE। গত মার্চে করোনার জেরে স্থগিত হয়েছে ICSE ও ISC বোর্ডের পরীক্ষা। এরপর জুলাইতে পরীক্ষার্থীরা চাইলে ICSE ও ISC বোর্ডের বাকি পরীক্ষাগুলি দিতেও পারে আবার নাও দিতে পারে। পরিবর্তে তাদের ইন্টার্নাল অ্যাসেসমেন্ট-এর নম্বরের ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।

দেশে হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমন। এই অবস্থায় মহারাষ্ট্রে ২ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া ICSE বোর্ড-এর পরীক্ষাকে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করেন অরবিন্দ তিওয়ারী নামে এক ব্যাক্তি। আজ সেই পিটিশনের শুনানিতে বোর্ড তার সিদ্ধান্ত জানায়।

মহারাষ্ট্রে ICSE বোর্ডের আওতায় ২২৬ টি স্কুল আছে। এবং দশম শ্রেণির ICSE বোর্ড পরীক্ষায় ২৩৩৪৭ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নিয়েছে।

কোর্টে জমা দেওয়া আবেদনে বলা হয়েছে:

রাজ্যে করোনা সংক্রমনের সংখ্যায় ICSE বোর্ড আর নতুন করে পরীক্ষার আয়োজন না করে বিগত পারফরম্যান্সের গ্রেড এবং অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করলে সবচেয়ে ভাল হবে।

মহারাষ্ট্র সরকারও এর আগে জানিয়েছিল যে বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে পরীক্ষা নেওয়াটা ঠিক হবে না।

বুধবার এ ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত জানার পর বেঞ্চ এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারিত করে।

এবার বোর্ডের তরফে যা বলা হয়েছে:

ICSE বোর্ড-এর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের সমস্ত অনুমোদিত স্কুলগুলিকে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানানো হবে। এর পরে ICSE-র দশম ISC-র দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিলে স্কুলগুলি আলোচনা করবে। যেখানে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসবে নাকি অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই রেজাল্ট চায় সেটাই নির্ণয় করবে।

শিক্ষার্থীদের মতামত জানানোর শেষ তারিখ ২২ জুন।

ICSE বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে, যে যে বিষয়ের পরীক্ষা বাকি রয়েছে সেগুলির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন বা প্রাক-বোর্ড পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরগুলির ভিত্তিতে ICSE বোর্ড-এর ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই স্কুলগুলি থেকে এই ফলাফলগুলি সংগ্রহও করা হয়েছে।

RELATED Articles

Leave a Comment