জুন মাসের শুরু থেকেই দেশে শুরু হয়েছে আনলক প্রক্রিয়া-১। খুলছে কর্মক্ষেত্র। কিন্তু স্বাভাবিক হয়নি গণপরিবহন ব্যবস্থা। এই সময় লোকাল ট্রেন ও মেট্রো রেল চলাচলের দায়িত্ব রাজ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে সোমবার বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে লোকাল ট্রেন এবং মেট্রো চালানোর সিদ্ধান্ত রাজ্যকেই নিতে হবে।
লকডাউনের পর অফিস খুললেও বন্ধ রয়েছে লোকাল ট্রেন। আর সেকারণে মারাত্মক অসুবিধায় পড়েছেন নিত্য যাত্রীরা। কলকাতা সংলগ্ন মানুষেরা অফিস আসার জন্য না পাচ্ছেন ট্রেন না সঠিক পরিমানে বাস। ফলে করোনাকে তোয়াক্কা না করেই ভিড় জমাচ্ছে সবাই। পাশাপাশি নানা উপায়ে অফিসে পৌঁছতে হচ্ছে তাঁদেরকে।তাই তাতে খরচও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত লোকাল ট্রেন চালুর দাবি জানাচ্ছেন নিত্যযাত্রীরা।
এই পরিস্হিতিতে সোমবার থেকে মুম্বইয়ে শুরু হয়েছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। তবে তা সবার জন্য নয়। শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত ব্যক্তিরাই তা ব্যবহার করতে পারবেন। এর চলতে কলকাতায় লোকাল ট্রেন শুরু করার দাবি আরও জোরদার হয়েছে। এর মধ্যেই সোমবার রেলবোর্ডের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, লোকাল ট্রেন ও মেট্রো সংক্রান্ত যাবতীয় সিন্ধান্ত দেবে রাজ্যকে।
অন্যদিকে সূত্রের খবর ,লোকাল ট্রেন চালানোর তোড়জোড় শুরু করেছে পূর্ব রেল দপ্তর। কী ভাবে করোনা এড়িয়ে সামাজিক দূরত্ব মেনে ট্রেন চালানো যায়, তা ঠিক করে ১০ দিনের মধ্যে আধিকারিকদের রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!