কোনও দেশ আন্তর্জাতিক মহলে কতটা শক্তিশালী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবে বা কতটা বিদেশী বিনিয়োগ আসবে সে দেশে, তা নির্ভর করে সে দেশের সরকারের নানান মহান কাজের উপর। দেশের জনগণের পরিশ্রমের পাশাপাশি দেশের সরকার যদি নিজের ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করে, তাহলে সে দেশের উন্নতি আবশ্যক। সেরকমই একটি দৃষ্টান্ত পেশ করল ভারত।
আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের জন্য এক বড় সুখবর এসেছে যা প্রতিটি দেশবাসীকে গর্বিত করেছে। নানান বাধা বিপত্তি পেরিয়ে ভারত প্রবেশ করল সুপার ৪০ ক্লাবে।
এরই সঙ্গে কাছে এসেছে ব্রাউন দেশ হওয়ার ট্যাগ। ১৯৭৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতে ইউনেস্কো স্বীকৃত ৩০টি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ছিল। তবে এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০-এ।
আরও পড়ুন- রাস্তায় ছুটছে হাজার হাজার কৃষ্ণসার হরিণ, দেখে মুগ্ধ হয়ে টুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী
২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ভারতে আরও ১০টি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। এই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি পাওয়া কিন্তু মোটেই সহজ কাজ নয়। ২১টি দেশের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কোনও সাইট সর্বাধিক ভোট পেলে তবেই সেটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের পিছনে রয়েছে বিলিয়ন ইন্ডাস্ট্রি। তাই এই বিষয়ে রয়েছে নানান রাজনীতিও। কোনও দেশ ওয়ি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের জন্য অন্য কোনও দেশকে ভোট দিতে চায় না। যে দেশের কাছে যত বেশি হেরিটেজ সাইট রয়েছে, সে দেশ তত বেশি পর্যটন শিল্প টানতে সক্ষম।
আরও পড়ুন- এখনও তো ‘খেলা’ শুরুই হয়নি, তাতেই ভয় পাচ্ছে বিজেপি, আইপ্যাক সদস্যদের পাশে দাঁড়াতে ত্রিপুরায় ডেরেক
ইউনেস্কো-এর রীতি অনুযায়ী, কোনও দেশের কাছে যদি ১০-১৪ টি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট থাকে, তাহলে সেই দেশ গ্রীন দেশের ট্যাগ পায়। আবার কোনও দেশের যদি ১০-১৫ টি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট থাকে, তাহলে পাওয়া যায় ব্লু দেশের ট্যাগ। একইভাবে ৪০টি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট থাকলে পাওয়া যায় ব্রাউন ট্যাগ। আর সেটাই এখন রয়েছে ভারতের ঝুলিতে।





