আগামী মাসের ১৫ তারিখ অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসের দিনই সাধারণের জন্য করোনাভাইরাসের টিকা আনতে চায় সরকার। তারই প্রস্তুতি এখন পুরোদমে। ভারত যেদিন ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছিল সেদিনই দেশকে করোনার হাত থেকে মুক্ত করতে বদ্ধ পরিকর সরকার। সেই জন্য ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (BBIL) এর সঙ্গে জোট বেঁধেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (ICMR)। খুব শীঘ্রই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে চায় আইসিএমআর।
পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে ইতিমধ্যেই ভাইরাসের স্ট্রেনটা আলাদা করা হয়েছে। এবার সেটা থেকেই প্রতিষেধক বানাতে চায় ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (BBIL)।
দেশের ১২টি মেডিকেল ইনস্টিটিউটে এই ট্রায়াল সম্পন্ন হবে। আইসিএমআর এই সব প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত ট্রায়াল শেষ করতে বলেছে। সংস্থা জানিয়েছে এটা ‘টপ প্রায়োরিটি প্রজেক্ট’ যেটার ওপর নজর আছে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতাদের।
সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে আইসিএমআর চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে, সমস্ত ক্লিনিকাল ট্রায়াল যাতে শীঘ্র শেষ করে ১৫ই অগস্টের মধ্যে টিকাটিকে প্রকাশ্যে আনা যায়। এর জন্য সমস্ত প্রতিষ্ঠানের সাহায্য চেয়েছে আইসিএমআর।
সত্ত্বর এই প্রজেক্টটিকে সম্পূর্ন করতে আইসিএমআর সমস্ত প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দ্রুত দিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। যাতে ৭ জুলাই থেকে প্রক্রিয়াটি শুরু করা যেতে পারে। এই সংক্রান্ত নির্দেশ যারা অমান্য করবেন তাদের বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থার বার্তা আইসিএমআরের।
কয়েকদিন আগেই ভারতে করোনা প্রতিষেধক বানানোর কাজ কতটা এগিয়েছে, তা জানতে চেয়ে বৈঠকে বসেন মোদী। সেখানে তিনি বলেন টিকা আবিষ্কারের পর চারটি নিয়ম মেনে দেশব্যাপী করোনা টিকা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই পিএম-কেয়ারস ফান্ড থেকে বিপুল অর্থ নির্দিষ্ট করা হয়েছে করোনা গবেষণার জন্য।





