আজ দেশজুড়ে শুরু হয়েছে দেশীয় করোনা টিকাকরণের প্রক্রিয়া। ২০২০ সালের ভয়াবহতা কাটিয়ে আশার আলো নিয়ে এসেছে এই দুই দেশীয় প্রতিষেধক। গত বছর বিভীষিকার মধ্যে কেটেছে। বিশ্বজুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন কত লক্ষ মানুষ। করোনা পরবর্তী সমাজের নিত্যদিনের সঙ্গী মাস্ক-স্যানিটাইজার।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, করোনার প্রতিষেধক গ্রহণের প্রথম দফায় অগ্রাধিকার পাবেন করোনা যুদ্ধে ফ্রন্টলাইন যোদ্ধারা। অর্থাৎ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, সাফাই কর্মী সহ অন্যান্যরা। আর সেই মতোই আজ শুরু হয়েছে টিকাকরণ। প্রথম প্রতিষেধক নিয়েছেন দিল্লি এইমস হাসপাতালের সাফাই কর্মী মণীশ কুমার। তারপর এইমস ডিরেক্টর গুলেরিয়াও এদিন টিকা নেন। করোনা টিকা নেন এইমসের প্রত্যেক চিকিৎসক ও নার্সরা। ইতিমধ্যেই জানা গেছে, সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুনাওয়ালাও।
ভারতীয় করোনা প্রতিষেধক পৌঁছে গেছে সেনাবাহিনীতেও। সূত্র মারফত খবর পূর্ব লাদাখে প্রায় ১২ হাজার টিকা পাঠানো হয়েছে। তাঁর মধ্যে ৪ হাজার জনকে প্রথম দফায় টিকা দেওয়া হবে। এঁদের মধ্যে প্রায় সবাই চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মী। সেনা সূত্রে খবর চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মীদের পর দ্বিতীয় দফায় সশস্ত্র বাহিনীকে টিকা দান করা হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতবছর ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মাঝেই ভারত-চীন রক্ত ক্ষয়ী সীমান্ত সংঘর্ষ বাঁধে। যে পরিস্থিতির উন্নতি এখনও হয়নি।





