দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় হাজার জন। মারা গিয়েছেন ২০ জন। রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন আঠেরো জন। ভারত করোনার তৃতীয় পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই অবস্থায় দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করা ছাড়া মানুষকে বাঁচানোর আর কোনো উপায় ছিল না। জরুরি পরিষেবা ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়া এইমুহুর্তে দেশে সবকিছু বন্ধ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষায় দেশে একপ্রকার কার্ফু চলছে বলে ধরে নিতে হবে দেশবাসীকে।
এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তারা কী করবেন কিছু বুঝতে পারছেন না। দোকান বাজারে ভিড় বাড়ছে, অর্ধেক জিনিস অমিল। বাড়ির গ্যাসটাও ঠিক সময়ে আসবে কিনা তাই নিয়ে চিন্তিত সবাই। রবিবার The Indian Oil Corporation জানিয়ে দিল, তাদের গ্রাহকদের চিন্তার কোন কারণ নেই। এই লকডাউন চলাকালীন তাদের গ্রাহকরা এলপিজির অভাব বোধ করবেন না।
একটি অফিসিয়াল বিবৃতি জারি করে জানানো হয়, “আমরা আমাদের সকল ইন্ডেন গ্রাহকদের জানাচ্ছি, আমাদের এলপিজি গ্যাসের এখনও কোনো অভাব দেখা দেয় নি। যেমনভাবে এলপিজি সরবরাহ করা হয় সেরকম ভাবেই দৈনন্দিন এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ করা হচ্ছে।” তাই গ্রাহকদের এইমুহুর্তে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। এখন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাই আসল কাম্য। এই লকডাউন চলাকালীন পথে না নামলেই ভারত সুরক্ষিত থাকবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।





