করোনার সংক্রমন রুখতে এখন দেশ জুড়ে লকডাউন চলছে। যার জেরে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ছাড়া সব দোকানই বন্ধ। তারপর মানুষকেও জরুরি কাজ ছাড়া বাড়ি থেকে বেরোতে নিষেধ করা হচ্ছে। যে কারণে তারাও ২৪ ঘন্টাই গৃহবন্দী। দ্বিতীয় দফায় লকডাউনের নির্দেশ জারি হওয়ায় মানুষ ৩রা মে অবধি ঘরে বন্দী থাকবেন।
তার ওপর বাংলা বছরের শুরুটাও কেটে গেল আর পাঁচটা দিনের মতো। এখন মানুষের বিনোদন বলতে ফোনে খুটখাট, গান শোনা, সিনেমা দেখা এইসব। তবে ইন্টারনেট ব্যবহারে ভারতীয়দের জুড়ি মেলা ভার। লকডাউনের পর থেকে জানা গেছে গুগলে সবচেয়ে অধিক সার্চ করার বিষয় হল বাড়িতে কীভাবে মদ বানানো যায় এবং মদের হোম ডেলিভারী? আর এই মদের নেশায় অস্থির মানুষদের পরিসংখ্যান যথেষ্ট চিন্তায় ফেলেছে প্রশাসনকে। অপরদিকে মানুষের এই চাহিদার ফলেই হু হু করে বাড়ছে মদের কালোবাজারি। আর তা রুখতে কার্যত হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন।
আবগারি দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “কালোবাজারি মাত্রাছাড়া শুরু হয়েছে। যে মদ ১৬০-১৭০ টাকায় পাওয়া যায়, তার দাম নেওয়া হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকা। এতেও মানুষের কেনা বন্ধ হয়নি। পুলিশের নজর এড়িয়ে ঠিক ঠিকানা মতো মদ পৌঁছে যাচ্ছে। এমনকি মুদিখানার দোকান বা দুধের দোকান থেকেও মদ বিক্রি চলছে। ফলে এর পিছনে কারা যুক্ত তার নাগাল পাওয়া যাচ্ছে না।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মদের এই কালোবাজারিতে পিছিয়ে নেই দেশী মদও। আগে যার বাজার মূল্য ছিল ৫০-৬০ টাকা এখন তা ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এত কিছুর পরও মদের যোগান চলছে পুরোদমে সাথে মদের বিক্রিও।





