করোনা সংক্রমন থেকে বাঁচতে গত ২৪ শে মার্চ মধ্যরাত থেকে যে লকডাউন জারি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তার মেয়াদ আজ মধ্যরাতে শেষ হয়ে যেত। কিন্তু তাতে এতদিনের লকডাউনের সুফল কোথাও চাপা পরে যাওয়ার এবং সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই, মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ৩ মে পর্যন্ত দেশজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে দিলেন।
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, লকডাউনের জন্যই দেশে এখনও সংক্রমনের স্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কম। আগের মাসে যে দেশগুলিতে ভারতের মতো সংক্রমন হত আজ তারা আরো বেশি খারাপের দিকে এগিয়ে গেছে। লকডাউনের মাধ্যমে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাই এই মুহূর্তে ভারতের কাছে একমাত্র রাস্তা।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বিচার করলে এই লকডাউন অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু এছাড়া উপায় কী! ভারত যে পথে এগিয়েছে তার প্রশংসা সারা বিশ্বে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এদিন রাজ্য সরকারগুলিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাজ্য সরকার ও বিভিন্ন আধিকারিকরা নিজেদের দায়িত্ব নিষ্ঠা ভোরে পালন করছেন তা সত্যি প্রশংসাযোগ্য।
ভারতের এই করোনার বিরুদ্ধে লড়াই এগিয়ে নিয়ে যেতে আরও কি কি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা নিয়ে সর্বদাই রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা চলে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বিশেষজ্ঞরা নন, লকডাউন বৃদ্ধি করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পক্ষে সওয়াল করেছেন বহু সাধারণ মানুষও। আগামী ৩ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি স্থানে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। দেশের প্রতিটি স্থানে সঠিকভাবে লকডাউন পালন হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নেওয়া হবে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।





