পূর্ব ভারত ধ্বংস করে ছোট্ট পাখায় ভড় দিয়ে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার কাছাকাছি এসে গেছে টিম পঙ্গপাল।
ইতিমধ্যেই তারা ঢুকে পড়েছে ছত্তীসগড়ে। আক্রমনকারীদের হাত থেকে বাঁচতে সতর্কতা জারি করেছে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা সরকার। তবে নবীন পট্টনায়কের সরকারের তরফে বলা হয়েছে সাবধানে থাকুন, আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।
ঝাড়খণ্ডের কৃষি সচিব আবু বকর সিদ্দিকি জানিয়েছেন, ছত্তীসগড়, বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ লাগোয়া অঞ্চলে রাজ্যের ২৪ জেলায় ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। সবথেকে বেশি হামলা হতে পারে, ঘরওয়া, লাতেহার, গুমালা, দেওঘর, ছতরা, গিরিডি ও গোদা জেলায়।
ঘরওয়া জেলার কৃষি আধিকারিক লক্ষ্ণণ ওঁরাও জানিয়েছেন ছত্তীসগড়ে পঙ্গপাল ঢুকেছে। দিনে ওরা ২০০ কিমির বেশি যেতে পারে না। তাই প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পাওয়া যাবে যথেষ্ট। জানা গিয়েছে পঙ্গপালের একটি দলে ১.৫ কোটি থেকে ২ কোটি পতঙ্গ থাকতে পারে। এরা ৩৫০০০ মানুষের সারা বছরের খাবার খেয়ে ফেলতে পারে।
অন্যদিকে, রবিবারই পঙ্গপালের হামলা সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছে ওড়িশা সরকার। বলা হয়েছে রাক্ষুসে ওই পতঙ্গ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে পশ্চিম ওড়িশার সুন্দরগড়, বারঘর, কালাহান্ডি ও বোগানগির জেলায়। সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে সবাইকে।
ওড়িশা ইউনিভার্সিটি অব এগরিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি পঙ্গপাল প্রতিরোধে ইতিমধ্যেই কিছু গাইডলাইন দিয়েছে। দেখে নিন-
১. গাইডলাইনে বলা হয়েছে জলের সঙ্গে করোসিন মিশিয়ে পঙ্গপাল মারা যেতে পারে।
২. টিন বাজিয়ে পঙ্গপাল তাড়ানো যেতে পারে। কাঁটার ঝাড় হাতে নিয়ে পঙ্গপালের মোকাবিলা করা যেতে পারে।
৩. এছাড়াও ২০০ লিটার জলে পাঁচ শতাংশ আন্দাজমতো নিম তেল মিশিয়ে জমিতে স্পে করতে হবে। এছাড়াও নিম কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪. গাছের নীচে পলিথিন শিট বিছিয়ে গাছে নাড়া দিয়ে পঙ্গপালকে গাছছাড়া করা যেতে পারে। পলিথিনে পড়া পতঙ্গগুলিকে কেরোসিন জল দিয়ে ধ্বংস করা যেতে পারে।





“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!