ভারতজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যু সংখ্যা। বর্তমানে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪০৬৭ জন। মারা গিয়েছেন ১০৯ জন। দিল্লির নিজামুদ্দিনে তাবলীগ জামাতের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানের পর আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ করে বেড়ে যায় ভারতে। এই বিষয়টিই বৈদ্যুতিন মিডিয়ায় দায়িত্ব নিয়ে তুলে ধরেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক সাংবাদিকরা। এরপরই সমাজের একাংশের ক্ষোভ উপচে পড়ছে সাংবাদিক ও সংবাদ পরিবেশকদের উপর, এমনটাই দাবি নিউজ ব্রডকাস্টার অ্যাসোসিয়েশনের।
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে যে শুধু তাঁদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক প্রচার হচ্ছে এমনটাই নয়, রীতিমতো হুমকিও দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিকদের।
তাবলীগ জামাতের সম্মেলনের থেকে করোনা ছড়িয়ে পড়ার খবর প্রচার করায় হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটক, টুইটারের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের লক্ষ্য করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিএ। এই সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে এক শ্রেণীর ধর্মগুরু ক্রমাগত এঁদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক প্রচার চালাচ্ছে, বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, কয়েকটি চ্যানেল ও সাংবাদিকদের নাম উদ্ধৃত করেই চালানো হচ্ছে প্রচার। এই অবস্থায় সাংবাদিকরা যথেষ্ট ক্ষুব্ধ।
এনবিএ-র তরফে এই সব ধর্মীয় নেতাদের আর্জি জানানো হয়েছে, তাঁরা যেন খোলাখুলি সাংবাদিকদের এভাবে হুমকি দেওয়া বন্ধ করেন। তাঁরা তাঁদের পেশাকে সৎভাবে সকলের সামনে পেশ করছে। এই ধরনের হুমকি সংবিধান পরিপন্থী নয়। ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকেরই বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। এই ধরনের হুমকি সেই সাংবিধানিক অধিকারকেই বাধা প্রদান করছে বলে জানিয়েছে এনবিএ। তাঁরা সরকারকে এই ধরনের অপরাধমূলক কাজের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে।





