আজ, কোয়েস কর্তাদের ডাকে বেঙ্গালুরুতে বৈঠকে বসছেন লাল-হলুদ শীর্ষকর্তারা। এই বৈঠকে কি কি বিষয়ে আলোচনা হয়, তার দিকেই সকাল থেকেই তাকিয়ে বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা।
প্রসঙ্গত, এই বৈঠক নিয়ে আপাতত দুইরকমের মতামত শোনা যাচ্ছে। প্রথমত, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কোয়েসের বিচ্ছেদ এখন সময়ের অপেক্ষা। তাই এদিন সেই সব বিষয় নিয়েই অজিত আইজ্যাক চূড়ান্ত কথা বলবেন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে। যাতে এই বিচ্ছেদ সম্মানজনক হয়, সেটা নিয়েই আলোচনা হতে পারে। আবার অন্য অংশের মতে, কীভাবে দলকে এই মরশুমের জন্য আরও সঙ্ঘবদ্ধ করা যায় তা নিয়েই আলোচনা হবে বৈঠকে।
ময়দান সুত্রের খবর যে, এই বৈঠকে একাধিক বিষয় থাকবে। যেমন-সনি নর্ডি ইস্যু, দলগঠন ইস্যু, ইস্টবেঙ্গল কোচের সঙ্গে কর্তাদের বৈঠক ও নতুন খেলোয়াড় নেওয়ার ইস্যু। সাম্প্রতিককালে এই বিষয়গুলি নিয়ে কোয়েস ও কর্তাদের মধ্যে একাধিকবার ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এতে যেমন দুরত্ব বেড়েছে, তেমনি ক্ষতি হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল টিমের।
উপরের সব বিষয় নিয়ে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের যেমন একটা অবস্থান আছে, তেমন কোয়েসেরও অন্য একটি অবস্থান রয়েছে। দু’পক্ষই সেটা নিয়ে শেষ পর্যন্ত আলোচনা করে যাবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে ইস্টবেঙ্গল দল গঠন সম্পূর্ণরূপে কোয়েসের হাতে। এতে কর্তাদের হস্তক্ষপ মানা হবে না বলে জানিয়েছে কোয়েস। আবার শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবে শতবর্ষের বছরেই এত খারাপ পারফরম্যান্স তা মানতে পারছেন না কর্তারাও। তাঁদেরও যুক্তি রয়েছে।
কোয়েসের সঙ্গে বৈঠক করতে সোমবারই ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা কল্যাণ মজুমদার, দেবব্রত সরকার বেঙ্গালুরু উড়ে গিয়েছেন। সভাপতি প্রণব দাশগুপ্ত থাকবেন কি না, তা স্পষ্ট জানা যায়নি। তবে যাই হোক না কেন, আজকের এই বৈঠকের উপর ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ভবিষ্যৎ যে অনেকাংশেই নির্ভর করছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।





