Mock drill : ফিল্মি দৃশ্য নয়, বাস্তবেই আসছে ‘ব্ল্যাকআউট’! ৭ মে গোটা দেশে যুদ্ধকালীন মহড়া,কি করতে হবে আগামীকাল?

সম্প্রতি দেশজুড়ে এমন পরিস্থিতির কথা ভাবলে মনে হয় সিনেমার দৃশ্য। কিন্তু এখন আর এই দৃশ্য শুধু পর্দায় দেখা যাবে না, বাস্তবেও তৈরি থাকতে হবে এমন অবস্থার জন্য। নাগরিক হিসেবে আমাদের কর্তব্য, আমরা যেন প্রস্তুত থাকি যেকোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য। ঠিক সেই কারণেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দেশজুড়ে এক অভিনব মহড়ার আয়োজনের।

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ বা সন্ত্রাসবাদী হামলার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি জানি ঠিক কী কী করতে হবে? কোথায় লুকোতে হবে, কখন আলো বন্ধ করতে হবে, কিভাবে গুজব থেকে দূরে থাকতে হবে? এই সমস্ত কিছুই শেখাতে আগামী ৭ মে, অর্থাৎ বুধবার গোটা দেশে চলবে এক বিশেষ যুদ্ধকালীন মহড়া।

পাহেলগামের নৃশংস জঙ্গি হামলার পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসাবে বুধবার দেশজুড়ে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির অনুশীলন চালানো হবে। ২৪৪টি জেলার পাশাপাশি বাংলার ২৩টি জেলায় ৩১টি মক ড্রিলের (Mock Drill) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কলকাতা, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, মালদহ, হলদিয়া, দুর্গাপুর, খড়্গপুর, বর্ধমান-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। মূলত তিনটি ক্যাটেগরিতে ভাগ করে এই মহড়া পরিচালিত হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সাইরেন বাজলেই ঘরের ভিতরে চলে গিয়ে দরজা-জানলা বন্ধ করতে হবে। সমস্ত আলো নিভিয়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করে ব্ল্যাকআউট করতে হবে। অফিস বা কারখানায় ক্যামোফ্লাজ ও আপৎকালীন প্রস্থান ব্যবস্থা রাখতে হবে। ছাত্রছাত্রী, সাধারণ মানুষ, হোমগার্ড ও প্রশাসনের আধিকারিকদের এই মহড়ায় অংশ নিতে হবে। একই সঙ্গে গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র সরকারি নির্দেশ অনুসরণ করাই বাঞ্ছনীয়।

আরও পড়ুনঃ Ajaz Khan : বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ! বিতর্কে জর্জরিত এজাজ খান, ফের গা-ঢাকা!

এই মহড়ায় নেতৃত্ব দেবেন প্রতিটি জেলার জেলাশাসক। প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক, নাগরিক সুরক্ষা বাহিনী, হোমগার্ড, এনসিসি ক্যাডেট ও নেহরু যুব কেন্দ্রের সদস্যদেরও সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদেরও এই মহড়ায় অংশ নিতে বলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে তারা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেতন থাকে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির প্রস্তুতির এই উদ্যোগ এক নতুন মাত্রা যোগ করছে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায়।

Jui Nag

আমি জুই নাগ, পেশায় নিউজ কপি রাইটার, লেখালেখিই আমার প্যাশন। বিনোদন, পলিটিক্স ও সাম্প্রতিক খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য। তথ্যভিত্তিক ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দিই।

আরও পড়ুন

RELATED Articles