করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মহামারীর জেরে ধাক্কা খেয়েছিল বিশ্ব অর্থনীতি। মুখ থুবড়ে পড়েছিল নামী আর্থিক সংস্থা গুলি। চোখে পড়ার মতো নেমে যায় বিশ্ব অর্থনীতির গ্রাফ। কিন্তু এর উল্টো ছবিও ধরা পড়ে। এই পরিস্থিতিতেই উন্নতি করে ভারতীয় স্টার্টআপ সংস্থাগুলি। শুধু সংখ্যায় বৃদ্ধি পাওয়া নয়, স্থানীয় স্টার্ট আপগুলো যথেষ্ট সাফল্যও পেয়েছে। ডিজিটাল পেমেন্ট, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI কিংবা সোলার এনার্জি সেক্টর, ভারতীয় স্টার্ট আপগুলো অসাধারণ কাজ করেছে।
সম্প্রতি ‘Prarambh: StartUpIndia International Summit’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখেও একই কথা শোনা গেল। দেশে নতুন স্টার্ট আপগুলোকে সাহায্য করতে ১০০০ কোটি টাকার Start-Up India Seed Fund তৈরির ঘোষণাও করলেন তিনি।
নিজের বক্তব্য রাখার পর প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন নয়া এই তহবিলের কথা। যেখানে দেশের স্টার্ট-আপ গুলোর উন্নতির জন্য কেন্দ্র এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। মোদি বলেন, “of the youth, by the youth, for the youth-আমরা এই মন্ত্রের উপর ভিত্তি করেই একটি নতুন স্টার্ট আপ সিস্টেম তৈরি করব। এজন্য কেন্দ্র Start-Up India Seed তহবিলে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।”
We are launching a Rs 1,000 crore Start-Up India Seed Fund to help new startups grow in the country. We are trying to create a startup system which is based on the mantra ‘of the youth, by the youth, for the youth’: Prime Minister Narendra Modi pic.twitter.com/detGHBoBne
— ANI (@ANI) January 16, 2021
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এদিনের ভার্চুয়াল সামিটে ভারতের স্টার্ট আপ সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন BIMSTEC গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও। সেখানেই দেশীয় স্টার্ট আপ সংস্থাগুলোর প্রশংসাও করেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রের নেওয়া নানান পরিকল্পনার কারণেই যে দেশের স্টার্ট আপগুলো অনেকাংশে সুবিধে পেয়েছে, তাও জানাতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া আগে যেখানে লোকজন চাকরির জন্য ছুটতেন, সেখানে এখন অনেকেই নিজের স্টার্ট আপ খোলার ব্যাপারেই বেশি আগ্রহী।
কি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? তাঁর কথায়, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম স্টার্ট আপ ইকো সিস্টেমগুলোর মধ্যে অন্যতম। ভারতে এখনও পর্যন্ত ৪১ হাজারের কাছাকাছি স্টার্ট আপ রয়েছে। এর মধ্যে আইটি সেক্টরে রয়েছে ৫৭০০টি, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে রয়েছে ৩৬০০টি এবং কৃষিক্ষেত্রে রয়েছে ১৭০০টি স্টার্ট আপ। এই স্টার্ট আপ গুলোর জন্য দেশের ব্যবসাক্ষেত্রের চিত্রটাও বদলে গিয়েছে। আগে লোকে স্টার্ট আপের নাম শুনলে পালটা প্রশ্ন করত, চাকরি কেন করবে না? আর এখন তাঁরাই বলে, চাকরির বদলে কেন স্টার্ট আপ খুলছ না। এখন ডিজিটাল পেমেন্ট হোক অথবা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিংবা সোলার এনার্জি সেক্টর- যেকোনও ক্ষেত্রেই গোটা দেশ বলে, আমরা করতে পারব।”





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!