বীরভূমে তাঁর কথার উপর কথা বলার ক্ষমতা কারর নেই। সেই বীরভূমেই নিজের গড়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মমতার সার্টিফিকেট প্রাপ্ত দক্ষ সংগঠক অনুব্রত মণ্ডল। ঠিক যখন স্বদর্পে মঞ্চে ভাষণ রাখছেন তখনই এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কর্মীরা হাত নাড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।
বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে অনুব্রতর মতো দাপুটে নেতার সামনে এমন ঘটনা কস্মিনকালেও কখনও ঘটেছে কিনা মনে করতে পারছেন না বাংলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
উল্লেখ্য, এদিন বীরভূমের রামপুরহাটের বিষ্ণুপুরের জনসভায় একটি দলীয় কর্মসূচিতে ভাষণ রাখছিলেন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। প্রার্থী নিয়েই কথা বলার সময়ে তিনি বলেন, “এখানে অশোক চট্টোপাধ্যায় প্রার্থী হোন কিংবা অন্য কেউ, অসুবিধা কোথায় আছে?” যখন এই কথাগুলি বলছিলেন অনুব্রত তখনই দেখা যায় মঞ্চের বাঁ দিকে দাঁড়ানো কর্মী সমর্থকরা হাত উঁচিয়ে নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছিলেন।
উচ্চস্বরে নিজেদের দাবি জানাচ্ছিলেন তাঁরা, “বহিরাগত প্রার্থী চাই না আমরা। সুকুমারদাকেই প্রার্থী করতে হবে।” সেইসময় মঞ্চ থেকে কার্যত ধমকের সুরে কেষ্ট বলে ওঠেন, “আপনারা বসুন…আপনারা বসুন।”
যদিও সাংবাদিকদের সামনে এই বিক্ষোভের কথা স্পষ্টতই অস্বীকার করে যান কেষ্ট। বলেন, “আমি এমন কিছু দেখিনি, শুনিনি।”
তবে কি এবার তৃণমূলের পরিবারে নেতাদের সঙ্গে সঙ্গে কর্মীরাও বিদ্রোহী হয়ে উঠছেন। আর তাহলে ভবিষ্যৎ যে খুব একটা সুন্দর নয় তা বলা বাহুল্য।





