নেতাজি জন্মজয়ন্তীতে বাংলায় আসতে পারেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, দাবী সূত্রের

কিছুদিন আগেই বাংলায় সফর সেরে ফিরেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর আগে দু’দিনের রাজ্য সফরে এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। এবার শোনা যাচ্ছে, আগামী ২৩শে জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিনের দিন ফের রাজ্যে আসতে পারেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্তত, সূত্র তাই-ই বলছে।

জানা গিয়েছে, ২৩শে জানুয়ারি বাংলায় এসে কলকাতায় নেতাজিকে নিয়ে তৈরি হওয়া সংগ্রহশালার উদ্বোধন করবেন মোদী। তবে সরকারীভাবে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচী নিয়ে কোনও ঘোষণা করা হয়নি।

উল্লেখ্য, ১৯৪৩ সালে আজকের দিনেই পোর্টব্লেয়ারে প্রথমবার তিরঙ্গা পতাকা উত্তোলন করেছিলেন নেতাজি। আজ, নেতাজির স্মরণে একটি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের দিনটি প্রত্যেক ভারতীয়দের মনে বিশেষ জায়গা দখল করে থাকবে। ১৯৪৩ সালের ৩০শে ডিসেম্বরেই পোর্টব্লেয়ারে নেতাজি তিরঙ্গা পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। এই ঐতিহাসিক ঘটনার ৭৫ তম বর্ষে আমি পোর্টব্লেয়ারে গিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেই স্মৃতিই আজ তুলে ধরছি”।

আগামী বছর নেতাজির জন্মবার্ষিকীর ১২৫ তম বর্ষ। তাই এই বছরকে বেশ জাঁক করে পালন করতে চায় মোদী সরকার। গোটা বছর ধরেই হবে উদযাপন। বাংলায় তো বটেই, সারা দেশেও নেতাজি সংক্রান্ত একাধিক অনুষ্ঠান পালন করবে কেন্দ্র।

এর আগে সংস্কৃত মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতি জারি করে বলা হয় যে নেতাজি ও আজাদ হিন্দ ফৌজের বিভিন্ন সদস্যদের লেখা পুরনো বইগুলিকে নতুন করে ছাপা হবে। নেতাজিকে তরুণদের আদর্শ হিসেবে তুলে ধরতে স্কুল ও কলেজে নেতাজিকে নিয়ে আলাদা করে পড়াশোনা করানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্‌’র নেতৃত্বে একটি উচ্চপদস্থ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে রয়েছেন বিভিন্ন লেখক, বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে জ্ঞানী-গুণী মানুষ।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলায় এসে নেতাজির জন্মদিন পালন করবেন। তবে এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কোনও কর্মসূচী রয়েছে কী না, তা এখনও জানা যায়নি। আগামী নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বাঙালির ভাবাবেগকে আরও বাড়িয়ে তোলার জন্যই এই কর্মসূচী, এমন গুঞ্জনও উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। আবার অনেকের মত, তৃণমূল বিজেপিকে নাগাড়ে ‘বহিরাগত’ তকমা দিয়ে চলেছে। সেই তকমা পুরোপুরি ঝেড়ে ফেলতে বাংলাকে আরও বেশি আপন করে নিতে চায় মোদী সরকার।

আরও অন্যান্য খবর