আজ, বুধবার ‘আজাদির অমৃত মহোৎসব’ উপলক্ষ্যে সিবিসি ও সিবিআই-এর সংযুক্ত সম্মেলনে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিনের এই অনুষ্ঠানে দেশে চলা নানান দুর্নীতির নিয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, দুর্নীতি ছোটো হোক বা বড়, তা কারোর না কারোর অধিকার ছিনিয়ে নেয়। দুর্নীতির জেরে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। তাঁর মতে দুর্নীতি দেশের শক্তিকে প্রভাবিত করে ও দেশের প্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “বিগত ৬-৭ বছরের আপ্রাণ প্রচেষ্টার ফলে আমরা দেশে একটি বিশ্বাস কায়েম করতে সফল হয়েছি, বর্ধিত দুর্নীতি রুখতে সম্ভব হয়েছি। আজ দেশের মানুষের মনে একটা ভাবনা তৈরি হয়েছে যে, কোনও লেনদেন ছাড়াই আর মধ্যস্থতাকারীকে ছাড়াই সরকারি যোজনার সুবিধা মিলতে পারে”।
মোদী এদিন আরও বলেন, “আজ দেশের মানুষের মনে এই বিশ্বাস আনতে পেরেছি যে, দেশের সঙ্গে প্রতারণা করা আর দেশের মানুষকে লুণ্ঠনকারীরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন, দেশ আর বিশ্বের যেখানেই থাকুক না কেন, তাঁদের রেয়াত করা হবে না। সরকার তাঁদের ছাড়বে না”।
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “দুর্নীতিতে লাগাম টানার জন্য আমাদের সরকার প্রো পিপল, প্রোঅ্যাকটিভ গভর্নেন্সকে শক্তিশালী করার কাজে জুটেছে”।
নরেন্দ্র মোদী জানান, “আমরা দেশবাসীর জীবন থেকে সরকারের দখলকে কম করার জন্য একটি অভিযান চালিয়েছিলাম। আমরা সরকারি প্রক্রিয়াকে সরল বানাতে অক্লান্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ম্যাক্সিমাম গভর্নমেন্ট কন্ট্রোলের বদলে মিনিমাম গভর্নমেন্ট, ম্যাক্সিমাম গভর্নেন্সের লক্ষ্য রেখেছি”।





