আজ ৩রা মে গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস। কিন্তু ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কি আদেও আছে? বিরোধীরা তো বলেন নেই। এদিনই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে একহাত নিল কংগ্রেস।
কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির আমলেই দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা তলানিতে ঠেকেছে। রবিবার কংগ্রেসের টুইটার হ্যান্ডেলে এই বিষয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করে।
https://twitter.com/INCIndia/status/1256901317500403715?s=20
বিশ্বে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার নিরিখে আরও দুধাপ নেমেছে ভারত। ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৪২তম স্থানে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র। গত বছর প্রকাশিত এই তালিকায় ভারতের স্থান ছিল ১৪০। এই বছর সেটি আরও দু’ধাপ পিছিয়ে গেল। এই নিয়েই সরব হয়েছে বিরোধীরা। প্রশ্ন উঠেছে, ১৮০টি দেশের মধ্যে স্বাধীনতার নিরিখে এ দেশের গণমাধ্যমের স্থান ১৪২ কেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বছরের আগস্টে সংসদে ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তার পরেই গোটা কাশ্মীর জুড়ে এক কঠিন অচলাবস্থা নেমে আসে। সমস্ত যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়, বন্ধ হয়ে যায় ইন্টারনেট ব্যবস্থাও। গোটা কাশ্মীর জুড়ে জারি করা হয় এক অনির্দিষ্টকালীন ও অলিখিত লকডাউন। এরই প্রভাব পড়ে সাংবাদিকতার উপর। কাশ্মীরের খবর দুনিয়ার সামনে আনা রীতিমত কঠিন হয়ে পড়ে। দেশের এই দুই ধাপ পিছিয়ে পড়ার পিছনে সেই পর্বের যে বিশেষ ভূমিকা আছে, তা ‘রিপোর্টারস উইদাউট বর্ডারস’-এর এই রিপোর্টেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিন কংগ্রেসের ভিডিওতে গত কয়েক বছরে ভারতে সংবাদকর্মীদের উপর হওয়া একের পর এক অত্যাচারের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, কখনও আসল তথ্য প্রকাশ করে খুন হতে হয়েছে সাংবাদিককে। আবার কখনও সংবাদমাধ্যমের উপর সরকারি কোপ পড়েছে। সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে আফগানিস্তান ও সুদানের থেকেও খারাপ অবস্থায় রয়েছে ভারত। এমনকী CAA বিরোধী আন্দোলন, করোনার খবর প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হেনস্থা হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আর নির্দিষ্টভাবে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা দিবসেই বিজেপির ‘স্বেচ্ছাচারিতা’র অভিযোগে সরব হল কংগ্রেস।





