বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে ঘোষিত হয়েছে করোনা। প্রতিনিয়ন বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। তার ই প্রেক্ষিতে, রোববার ‘কোভিড-১৯’ মোকাবিলায় করণীয় ও গৃহীত পদক্ষেপ’ নিয়ে সার্কভুক্ত আট দেশের শীর্ষ নেতার নজিরবিহীন ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে হওয়া সার্কভুক্ত দেশগুলোর এই ভিডিও কনফারেন্সে মোদি ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ, শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট গোটাবে রাজাপাকসে এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডা. জাফর মির্জা।
বৈঠকের মাঝেই জাফর মির্জা ব্যাখ্যা বলে বসেন, ‘ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে নভেল করোনার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এতে সেখানে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে সে খবর প্রকাশ হয়েছে। এ অবস্থায় কাশ্মীরের ওপর আরোপিত নয়াদিল্লির সব নিষেধাজ্ঞা এবং বিধিনিষেধ জরুরিভিত্তিতে তুলে নেয়া প্রয়োজন।’
করোনা-বৈঠকের মাঝে পাকিস্তানী মন্ত্রী ডা. মির্জার এই আহ্বান ভালোভাবে নেয়নি নয়াদিল্লি। ভিডিও কনফারেন্সের সুযোগ পেয়ে পাকিস্তানের এই মুখপাত্র অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কাশ্মীরের প্রসঙ্গ তুলেছেন বলে মন্তব্য নয়াদিল্লির। ভারত বলছে, আরও উচ্চপর্যায়ের কেউ না এসে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে কনফারেন্সে পাঠিয়ে পাকিস্তান এ সম্মেলনকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেনি।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বীতশ্রুদ্ধ হয়ে ভারত বলেছে, করোনা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে মানবিক একটি বিষয়কে পাকিস্তান রাজনীতিকরণের চেষ্টা করেছে। এদিকে, জানা গিয়েছে, সার্কভুক্ত দেশগুলিতে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১৫০।





