প্রতিশ্রুতি মতই Pradhan Mantri Kisan Samman Nidhi Scheme -র অধীনে কৃষকদের ব্যাংক একাউন্টে ঢুকল ১০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই ৩.৭৮ কোটি কৃষক এই সুবিধা পেয়েছেন। কৃষকরা এই স্কিমের পঞ্চম কিস্তি টাকা পেয়ে গিয়েছেন। যে কৃষকরা টাকা পেয়েছেন তারা ২০১৮ -র ১ সেপ্টেম্বর নিজেদের নাম নথিভুক্ত করিয়েছিলেন ৷ এই কৃষকদের সমস্ত রেকর্ড সঠিক থাকায় ব্যাঙ্ক একাউন্টে এই টাকা ঢুকতে কোনও অসুবিধা হয়নি ৷
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনায় বছরে চাষীরা ৬ হাজার করে টাকা পান তিনটি কিস্তিতে ৷ দেশের ৭.৯৮ কোটি কৃষক ইতিমধ্যেই এই সুবিধা পান ৷ অপরদিকে এই প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনায় পরবর্তী কিস্তির টাকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।ইতিমধ্যেই সারা দেশের ১০ কোটি কৃষক নিজেদের নাম নথিভুক্ত করে ফেলেছেন৷ বাকি রয়েছেন আর ৪.৪ কোটি কৃষক ৷
এই স্কিমে পরিবার বলতে স্বামী-স্ত্রী ও নাবালক বাচ্চাদের বোঝানো হয় ৷ পরিবারে যিনি কৃষক তিনি নিজের নাম স্কিমের জন্য নথিভুক্ত করিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্কিমের সহায়তা পেতে পারেন এবং নিজের কৃষি কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। আমার কৃষিজমি যদি পরিবারের কোন বয়স্ক সদস্যের নামে থাকে তাহলে সেই বয়স্ক সদস্যের নামেই অর্থ বরাদ্দ হবে। এই স্কিমের সহায়তা পাওয়ার জন্য ব্যক্তির রেভিনিউ রেকর্ড, আধার কার্ড ও ব্যাঙ্ক একাউন্ট নম্বর জরুরি ৷
কোন কৃষক যদি আর্থিক অনুদান এখনো না পেয়ে থাকেন তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে জেলা কৃষি দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে। সেখানে কাজ না হলে একটি বিনামূল্যে হেল্পলাইন বরাদ্দ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে। সেটি হল 155261 অথবা 1800115526 (Toll Free) যোগাযোগ করতে পারেন ৷ এছাড়া সাহায্যের জন্য মন্ত্রকের আরও দুটি নম্বর দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল 011-24300606, 011-23381092৷
কিন্তু কোন কৃষক যদি আগে বা বর্তমানে কোন সাংবিধানিক পদে থেকে ছিলেন বা রয়েছেন, বা সেই কৃষক যদি আগে বা এখন মন্ত্রী, জেলাস্তরে অধ্যক্ষ, বিধায়ক, এমএলসি, লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্য থেকে থাকেন অথবা আছেন তবে তিনি এই স্কিমের সাহায্য পাবেন না।কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের আধিকারিক যিনি ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি টাকা পেনশন পান তাঁরাও এই স্কিমে টাকা পাবেন না ৷
ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, আর্কিটেক্ট এরকম পেশার কোন ব্যক্তি যদি কৃষিকাজ শুরু করেন তারাও কিন্তু এই স্কিমের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না। এমনকি গত আর্থিক বছরে যাঁরা আয়কর দিয়েছেন তাঁরাও টাকা পাবেন না ৷ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি কর্মীরাও এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকবেন ৷





