নতুন কৃষি আইনের সিদ্ধান্তে অনড় মোদী। সুন্দর ভবিষ্যতের জন্যই আনা হয়েছে নতুন আইন। এতে সুফল পাবেন ক্ষুদ্র চাষিরাও। নতুন বাজারের সুবিধা পাবেন কৃষকরা।
এই আইনের সাহায্যে কৃষির উন্নতির ক্ষেত্র প্রশস্ত হবে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য পাবেন ভারতীয় কৃষকরা। এই আইন লাগু হলে কৃষিতে বিনিয়োগ বাড়বে। বাজার বড় হবে। বিকল্প পথ খুলবে। বণিকসভা ফিকি-র ৯৩-তম বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধনী বক্তৃতায় নিজের বক্তব্যে এমনটাই জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে জানালেন
ভারতে এখনও পর্যন্ত কর্পোরেট কর অনেক কম। একমাত্র বেসরকারি বিনিয়োগেই হবে কৃষির উন্নতি।
দিল্লি সীমান্তে এখন চলছে কৃষক আন্দোলন। দেশে এখন মুখ্য আলোচ্য বিষয় এই আন্দোলন। ফিকি-র অনুষ্ঠানেও সেই বিষয়েই মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের ক্ষোভ প্রশমন করার জন্য তাঁদের উদ্দেশ্যে দিলেন বার্তাও।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল থেকে শুরু হয়েছে ফিকি-র বার্ষিক সাধারণ সভা। গতকালের পর এই অনুষ্ঠান চলছে আজ। এরপর সোমবারও এই অনুষ্ঠান চলবে। করোনা আবহে এই বার্ষিক সাধারণ সভা হচ্ছে ভার্চুয়ালি। সারা বিশ্বের ১০ হাজার অভ্যাগত এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মন্ত্রী, আমলা, শিল্পপতি, কূটনীতিবিদ, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরাও রয়েছেন।
তবে শুধুমাত্র কৃষি নয় দেশের অন্যান্য আলোচ্য বিষয় গুলির উপরেও আলোকপাত করেন প্রধানমন্ত্রী। যেমন করোনা মহামারী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে, সে কথাও এই অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ‘২০২০ সালে অনেককিছু দ্রুত বদলে গিয়েছে। ২০২০ সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। দেশ এবং সারা বিশ্ব অনেক ওঠা-নামা দেখেছে। আমরা কয়েক বছর পরে যখন করোনা পরিস্থিতির কথা ভাবব, তখন হয়তো আমাদের বিশ্বাস হবে না। এটা ভাল দিক যে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে যখন অতিমারী শুরু হয়, তখন আমরা অজানা শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলাম। তখন উৎপাদন, পরিবহণ, আর্থিক মন্দা কাটিয়ে ঘুরে সহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। প্রশ্ন ছিল, কতদিন এই পরিস্থিতি চলবে এবং কীভাবে উন্নতি হবে? আমাদের কাছে এই প্রশ্নগুলির জবাব এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থনীতির উন্নতি হচ্ছে। সঙ্কটের সময় দেশ যে শিক্ষা পেয়েছে, সেটা ভবিষ্যতে দেশকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।’





