উৎসবের শুরুতেই সুখবর শোনালেন প্রধানমন্ত্রী, বেশ কয়েকটি করোনা প্রতিষেধক অ্যাডভান্স স্টেজে

অতিমারি ঠেকাতে একমাত্র পথ তার প্রতিষেধক। তাই তা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের সকলকে লড়াই চালিয়েই যেতে হবে। মানবতাকে বাঁচাতে সারা বিশ্বে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। উৎসবের শুরুতেই জাতির উদ্দেশে এমন বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লকডাউন উঠে গেছে বলে এই নয় যে করোনার বাড়বাড়ন্তও কমে গেছে, এ কথাই সাফ জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তাই এই সময় একেবারেই ঢিলেমি দিলে চলবে না। শুরু হয়েছে নবরাত্রি, সামনেই দুর্গাপুজো। এরপরই দীপাবলি। পরপর বিভিন্ন উৎসবের জেরে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা কয়েক গুন বেড়ে যায়, ফলে এই সময় প্রতিষেধক না আসা পর্যন্ত সাবধানতা মোটেই শিথিল না করার জন্য জাতির উদ্দেশে অনুরোধ জানান তিনি।

তবে এই সতর্কবার্তার মাঝেই দেশবাসীর জন্য খুশির সংবাদ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজ দেশে করোনা রোগীদের জন্য ৯০লক্ষ শয্যা রয়েছে। প্রায় ২০০০ ল্যাবে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়িই দেশে ১০ কোটি নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে। বিশ্বের অন্যান্য বড় বড় দেশগুলির তুলনায় ভারত তার দেশবাসীদের জীবন বাঁচাতে অধিক সক্ষম”।

প্রধানমন্ত্রীর মতে, ভারতের বিজ্ঞানীরা দিনরাত এক করে খেটে চলেছেন প্রতিষেধক তৈরির কাজে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিষেধক বেশ অ্যাডভান্স স্টেজে রয়েছে, পরীক্ষায় বেশ ভালো কাজ করেছে প্রতিষেধকগুলি। এর মধ্যে কয়েকটির ফলও আশাপ্রদ। করোনার প্রতিষেধক এলেই তা কীভাবে ভারতবাসীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে, তা নিয়েও কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই তৈরি করে রাখা হয়েছে নীল নকশা।

নরেন্দ্র মোদীর কথায়, এই উৎসবের সময় আমাদের সমস্ত করোনা স্বাস্থ্যবিধি আরও ভালোভাবে মেনে চলতে হবে, ছয় ফুটের দূরত্ব রাখা, মাস্ক পরা, সময়ে সময়ে হাত ধোয়া, স্যানিটাইজার ব্যবহার করা, এসব করলে তবেই মানুষের জীবন সুস্থ থাকবে ও এগিয়ে চলবে। এই উৎসবের মরশুমে সকলে সুস্থ থাকুন, এটাই চান প্রধানমন্ত্রী। জনসচেতনতা বাড়াতে তিনি সংবাদমাধ্যমের কর্মী, সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন। মার্চ মাসে দেশজুড়ে লকডাউনের পর থেকে এই নিয়ে সপ্তমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

RELATED Articles