করোনা মোকাবিলায় এবার ফের বসতে চলেছে বৈঠক। সোমবার বেলা তিনটের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সাথে পঞ্চমবার বৈঠকে বসছেন।তৃতীয় দফার লকডাউনের মেয়াদ ১৭ই মে শেষ হচ্ছে। কিন্তু দেশে করোনা সংক্রমনের সংখ্যা এখনো বেড়েই চলেছে। এই পরিস্হিতিতে লকডাউনের ভবিষ্যৎ কি হতে চলেছে তা খুঁজতেই বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী।
রাজ্যগুলি কি লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে নাকি লকডাউনকে শিথিল করার পক্ষে সেই বিষয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠকের আয়োজন। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলে কতটা শিথিল করা হবে? তা মানুষের জীবন যাত্রায় কতটা প্রভাব ফেলবে? আর এর ফলে করোনা সংক্রমণের রাশ টানা সম্ভব কিনা, তাও খতিয়ে দেখতে হবে। এই সমস্ত বিষয়ে সোমবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা চলবে।
এদিকে রবিবার ক্যাবিনেট সেক্রেটারি রাজীব গৌবা বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বাস্থ্যসচিবদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিব ও স্বাস্থ্যসচিবরাও। সূত্রের খবর বেশ কয়েকটি রাজ্য কেন্দ্রের তৈরি করা রেড, অরেঞ্জ ও গ্রিন জোন ম্যাপিংয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
রাজ্যগুলির দাবি, যেভাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার সঙ্গে সঙ্গে করোনা সংক্রমনের প্রভাব বাড়ছে তাতে বেশিরভাগ জেলাকেই এখন রেড জোনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত কেন্দ্রের। রাজ্যগুলি অভিযোগ করেন কেন্দ্র পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজের রাজ্যে ফিরিয়ে দেওয়ার পর থেকে যেভাবে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে এত সহজে লকডাউন তুলে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে তাদের দাবি যেসব জায়গায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে, সেই এলাকাগুলিকেও কেন্দ্র রেড জোনের অন্তর্ভুক্ত করুক।






