চুরির প্রশিক্ষণ, কথাটা শুনতে আজগুবি বা অদ্ভুত লাগলেও এমন ঘটনার কথা গল্পে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু তা বলে বাস্তবেও? বাস্তব থেকেই তো গল্প তৈরি হয়, তাহলে গল্পের সঙ্গে বাস্তবের ঘটনার মিল না থাকার কী আছে!
পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল দুই ছিনতাইবাজ। তাদের ধরার পর তাদের থেকে কাহিনী শুনে পুলিশেরই এক ঢোক গেলার জোগাড়। চুরির জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছিল দুই চোর। ৪৫ দিনের প্রশিক্ষণের পর মাঠে নেমে কাজ। আর চাকরিতে বেতন মাসে ২৫ হাজার টাকা।
কোথায় ঘটেছে এমন ঘটনা?
ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতে। সেখানেই দুই ছিনতাইবাজকে ধরে পুলিশ। নাম অবিনাশ মাহাতো (১৯) এবং শ্যাম কুর্মি (২৬)। জানা গিয়েছে, আগে তারা ঝাড়খণ্ডে ঠিকা শ্রমিকের কাজ করত। সেই কাজ ছেড়ে ৪৫ দিনের মোবাইল চুরির প্রশিক্ষণ নেয় দু’জন। আর প্রশিক্ষণ ছেড়ে চাকরি পায় ছিনতাই করার। এর জন্য মাসে বেতন ২৫ হাজার টাকা।
পুলিশ সূত্রে খবর, নানান রাজ্যেই এই ছিনতাইবাজদের চক্র মোবাইল চুরির কাজ করত। ভিড়ের মধ্যে থেকে কারোর মোবাইল চুরি করে নিয়ে ভিনদেশে পাচার করে দিত ওই চক্র।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অবিনাশ ও শ্যামের দায়িত্ব ছিল চুরি করা মোবাইল আনলক করে তা নেপাল ও বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া। পুলিশ ওই দুই ধৃতদের থেকে ৯টি ওয়ান প্লাস ফোন ২৯টি আইফোন বাজেয়াপ্ত করেছে।
জানা গিয়েছে, অবিনাশ ও শ্যাম একসঙ্গেই কাজ করত। নিমেষেই ফোন চুরি করে তা হাতবদল হয়ে যেত। তারপর তা আনলক করে বিদেশে পাচার হয়ে যেত। এবার ধরা পড়ার পর সব সত্যি পুলিশকে জানাল তারা। এর জেরে সেই চাকরিও অবশ্য গেল তাদের।





