ফের ইডির দফতরে রাহুল গান্ধী, পেটাল পুলিশ, ধুন্ধুমার কাণ্ড দিল্লিতে

গত সোমবার ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় দু’দফায় প্রায় দশ ঘণ্টা ধরে ইডির জেরা মুখে পড়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এরপর গতকাল, মঙ্গলবারও ফের তাঁকে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেয় ইডি। সেই অনুযায়ী গতকাল সকাল ১১টা নাগাদ ইডির দফতরে পৌঁছেছিলেন তিনি। গতকালের পর আজ, বুধবারও ফের রাহুল গান্ধীকে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

রাহুল গান্ধীকে এমন জেরা করার কারণে গত সোমবার বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস কর্মীরা। সেই কারণে গতকাল, মঙ্গলবার দিল্লির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা আটকে ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। কংগ্রেসের সদর দফতর-সহ বেশ কিছু এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। রাহুল গান্ধীকে তলবের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস সমর্থকরা। এদিন দিল্লি পুলিশের তরফে তাঁদের ধরপাকড় শুরু হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের জোর করে টেনে হিঁচড়ে বাসে তোলা হয়।

গতকালের পর আজ, বুধবার ফের ইডি-র দফতের হাজিরা দেন রাহুল গান্ধী। আর এদিনও এর প্রতিবাদে ফের গর্জে ওঠেন কংগ্রেস কর্মীরা। দিল্লির রাস্তা কার্যত উত্তপ্ত কংগ্রেস কর্মীদের প্রতিবাদের জেরে। প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্মীরা। এই প্রতিবাদকে ঘিরে পুলিশি পদক্ষেপকে নিয়েও ক্ষোভ দেখান তারা।

এরই মাঝে কংগ্রেস সদর দফতরে ঢুকে কর্মীদের মারধর করে পুলিশ। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী এমনটাই দাবী করেছেন। এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’ বলে দেগেছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা। তিনি এও অভিযোগ এনেছেন যে কংগ্রেসের কার্যালয়ের সমস্ত প্রবেশদ্বার পুলিশ বন্ধ করে দিয়েছে।

এদিন পুলিশের উদ্দেশ্যে ক্ষোভের সুর চড়িয়ে অধীর চৌধুরীর প্রশ্ন করেন, “আমরা কি জঙ্গি? আপনারা (বিজেপি) কি আমাদের ভয় পাচ্ছেন”? রাহুল গান্ধীর জিজ্ঞাসাবাদ ঘিরে কংগ্রেসের প্রতিবাদে মূল স্লোগান হল, ‘আমিও রাহুল’। নানান পোস্টারে এমন স্লোগানই দেখা যাচ্ছে।

গতকাল, মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি বেঁধে যায় কংগ্রেস শীর্ষ নেতাদের। এরপরই অধীর চৌধুরী-সহ রণদীপ সুরজেওয়ালা, গৌরব গগৈ, কেসি বেণুগোপাল রাওয়ের মতো শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

RELATED Articles

Leave a Comment