Covid19 Crisis – ‘হঠাৎ লকডাউন মানুষকে বিভ্রান্ত করছে’ : প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি রাহুল গান্ধীর

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। প্রায় হাজার ছুঁয়েছে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। মারা গিয়েছেন ২৫ জন। কিছুক্ষণ আগেই কেরালায় নতুন করে ২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে আজ দেশে লকডাউনের এক সপ্তাহ পূর্ণ হল। আর আজকেই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এই লকডাউনকে বিভ্রান্তিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকার করোনা রুখতে দেশবাসীকে আগাম কোনো সতর্কতা জারি করেনি। এই লকডাউন দেশবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠিতে রাহুল গরীবদের দুর্দশা তুলে ধরেন। অনেক উন্নত দেশ পুরোপুরি লকডাউনের পথে হাঁটেনি। তারা অন্যান্য অনেক বিকল্প পথ বেছে নিয়েছে। ভারতও সেই রাস্তায় হাঁটতে পারে।

তিনি লিখেছেন, ‘ভারতের অবস্থা যে আলাদা সেটা আমরা বুঝতে পারছি না। অন্যান্য যে দেশ পুরোপুরি লকডাউনের পথে হেঁটেছে তাদের থেকে এই দেশের অবস্থা আলাদা। তাই আমাদের অন্য পন্থা অবলম্বন করতে হবে। ভারতে দিন আনি দিন খাই মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। দেশে হঠাৎ করে সবকিছু লকডাউন হয়ে যাওয়ায় এই মানুষগুলো খুব অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন।’

রাহুল এই আশঙ্কাও করেছেন, সম্পূর্ণ এই অর্থনৈতিক লকডাউনের কারণে করোনার জেরে মৃত্যুর হার যেন না বেড়ে দাঁড়ায়। এই হঠাৎ লকডাউন মানুষের মনে অযথা ভয় ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। সমস্ত কলকারখানা ও ক্ষুদ্র শিল্প এখন বন্ধ। ফলে যারা ভিনরাজ্য থেকে কাজ করতে এসেছিলেন তাঁরা পায়ে হেঁটে নিজের রাজ্যে ফিরছেন। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁরা ন্যূনতম পুষ্টিটুকুও পাচ্ছেন না। তাই তিনি এই মানুষদের সাহায্য করার আহ্বান জানিয়েছেন। যাতে তাঁরা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পায় এবং আগামী কয়েকমাস যাতে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা দেওয়া হয়, তার জন্যও সরকারকে অনুরোধ করেছেন সনিয়া-পুত্র।

এই লকডাউনের ফলে যারা কাজ হারিয়েছেন তারাও এখন গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন। ফলে গ্রামের বয়স্ক ও বাচ্চাদের সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সরকার যাতে সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়, তার অনুরোধ জানিয়েছেন রাহুল।

RELATED Articles

Leave a Comment