তৃতীয় দফার লকডাউনের মধ্যে এবার হাওড়া থেকে দিল্লি এবং দিল্লি থেকে হাওড়ার মধ্যে ট্রেন চালাবে রেল কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই দেশে আংশিক যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা শুরু হতে চলেছে। এই পরিষেবা পাওয়ার জন্য মেনে চলতে হবে একাদিক নিয়মাবলী। নতুন পরিষেবার ক্ষেত্রে আগের মতো যাত্রীবাহী ট্রেনগুলিতে সব কিছু নাও পাওয়া যেতে পারে। দেশ জুড়ে করোনা সংক্রমন রুখতে বন্ধ করা হয়েছিল সমস্ত গণপরিবহন ব্যবস্থা। এবার মানুষের জীবনকে একটু স্বচ্ছল করতে লকডাউনের নিষেধাজ্ঞাকে কিছুটা শিথিল করল কেন্দ্র। এই ট্রেন পরিষেবাতে পেতে কি কি করতে হবে এবার জেনে নিন বিস্তারিত। রেল মন্ত্রকের জারি করা নিয়মাবলী নীচে দেওয়া হলো।
১. সর্বোচ্চ সাতদিন আগে টিকিট বুকিং করা যাবে। তবে বাতিল করার ক্ষেত্রে ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ২৪ ঘণ্টা পূর্বেই তা করে ফেলতে হবে। সময় পাড় হয়ে গেলে পর আর টিকিট বাতিল করা যাবে না। টিকিট বাতিলের ক্ষেত্রে প্রদত্ত টিকিটের ৫০ শতাংশই ফেরত পাওয়া যাবে।
২. বাড়ি থেকে আসার জন্য গাড়ির চালক এবং যাত্রীদের কোনও বিশেষ পাস লাগবে না। কনফার্মড ই-টিকিট দেখালেই রাস্তায় ছাড় মিলবে। স্টেশন থেকে গন্তব্যে পৌঁছানোর সময়েও ই-টিকিট থাকলেই হবে।
৩. ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিট পূর্বে সকলকে স্টেশনে পৌঁছাতে হবে।
৪. সংক্রমন রোধে ট্রেনের মধ্যে কোনও কম্বল ও চাদর দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে রেল। যাত্রীদের নিজেদের চাদর নিজেদেরই নিয়ে আসার আর্জি জানিয়েছে রেল।
৫. যাত্রীদের নিজেদের খাবার ও পানীয় জল নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছে রেল। তবে চাহিদার ভিত্তিতে ট্রেনের মধ্য়ে শুকনো খাবার, রেডিমেড খাবার ও বোতলজাত পানীয় জল মিলবে। সেজন্য অবশ্যই টাকা দিতে হবে।
৬. টিকিটের ভাড়ায় কেটারিং চার্জ ধরা হচ্ছে না। প্রিপেড মিল, ই-কেটারিং পরিষেবা বন্ধ থাকবে।
৭. ১৫ জোড়া ট্রেনের যাত্রীদের ‘আরোগ্য সেতু’ অ্যাপ ডাউনলোডের পরামর্শ দেওয়া হবে।





