‘আমি হিন্দুধর্ম ভালোবাসি, কিন্তু আমার জানা ছিল না আপনাদের এত সেক্সি দেবীও আছেন’ এটি ছিল টুইটারে ইরানিয়ান-কানাডিয়ান লেখক আর্মিন নবাবীর (Armin Navabi) টুইট। সম্প্রতি তিনি হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে একটি কার্টুন সিরিজ তৈরি করছেন। আর এই আশালীন উক্তি নিয়ে বর্তমানে উত্তাল ভারত।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে টুইটার ইন্ডিয়ার(Twitter India)বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানালেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) মুখপাত্র বিনোদ বনসল(Vinod Bansal)। প্রতিবাদ হোক বা আন্দোলন, কোনও ভালো ঘটনা হোক বা খারাপ সবকিছুরই মঞ্চ এখন সোশ্যাল মিডিয়া। যে কোনও বিষয়ে নজর কাড়তে এই প্ল্যাটফর্মের থেকে ভাল এখন আর কী-ই হতে পারে। এমনকী রাতারাতি চর্চার শীর্ষে পৌঁছতে বিতর্কে জড়াতেও পিছপা হন না অনেকে। তেমনই এক্ষেত্রে বিতর্কের আঁচ গিয়ে পৌঁছেছে পুলিশ অবধি। চলতি মাসের গোড়ার দিকে জনপ্রিয় ইরানিয়ান-কানাডিয়ান লেখক আর্মিন নবাবীর একটি টুইট ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ, তিনি টুইটে মা কালীকে অসম্মান করেছেন। অভব্য মন্তব্য করে হিন্দুদের উসকানি দেওয়া হয়েছে। শান্তি ভঙ্গের চেষ্টাও করা হয়েছে। যাতে স্বাভাবিকভাবে হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। আর সেই কারণেই দিল্লি ও মুম্বই পুলিশের কাছে টুইটার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই বিষয়টির ওপরে প্রথম আলোকপাত করেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত(Kangana Ranawat)।
https://twitter.com/vinod_bansal/status/1302250514759835649?s=20
আর এবার টুইটার ইন্ডিয়াকে একহাত নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র প্রশ্ন তুলেছেন, কেনও ইউজারদের এই ধরনের মন্তব্য করার অনুমতি দেয় এই মাইক্রো ব্লগিং সাইট? এমনকী এই সমস্ত পোস্টের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপও করা হয় না। গোটা বিষয়টির ঘোর বিরোধিতা করে টুইটারে নিজের অভিযোগ পত্র পোস্ট করেছেন বিনোদ বনসল। এবং সেই টুইটে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শংকর(Jayshankar), কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো(Justin trudeau) এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিকে(Hassan Rouhani) ট্যাগ করেছেন। তাঁর আবেদন, এই অপ্রীতিকর পোস্ট এই প্ল্যাটফর্মে করতে দেওয়ার জন্য টুইটার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হোক।





