একথা ঠিক, এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে মৃতদের বয়স পঞ্চাশোর্ধ্ব হলেও অল্পবয়সীরাও করোনা থেকে অপরাজেয় নয়। এমনই সতর্কবার্তা দিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরোস অ্যাঢানোম। প্রধানত করোনাভাইরাস শিশু ও বয়স্কদের জন্যই বেশি বিপজ্জনক বলে জানানো হলেও অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই অসুখের থেকে তরুণ প্রজন্মও সুরক্ষিত নয়।
এখনও পর্যন্ত করোনা প্রকোপ কমার কোনো লক্ষণ নেই। চীনে নতুন করে আক্রান্তের খবর না পাওয়া গেলেও ইতালিতে গতকাল ২৪ ঘন্টায় ৬৭৫ জন মারা গিয়েছেন। ভারতেও আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। টেডরোসের কথায়, “যদিও করোনাভাইরাসে মৃতদের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যাই বেশি, তবু এই অসুখকে কারোরই হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। করোনাভাইরাসে একজন অল্পবয়সীও গুরুতর অসুস্থ হতে পারেন, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।” হতে পারে তাদের বয়স কম তাই তাদের হয়তো কিছু হল না। কিন্তু তাদের কারণে আরও একজন বয়স্ক মানুষের জীবন-মৃত্যুর সংশয় দেখা দিল। সেটা অনুচিত।
এই কঠিন পরিস্থিতিতে সবাইকে যতটা সম্ভব ঘরে থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান। বিশ্বজুড়ে তরুণ প্রজন্ম যে বিশেষজ্ঞদের ডাকে সাড়া দিয়ে করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছে তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। সামাজিক দূরত্বের বদলে এই সময় শারীরিক দূরত্ব পালন করার ওপরে জোর দিয়েছেন তিনি। সামাজিক দূরত্বকে তিনি প্রধানত শারীরিক দূরত্ব হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। বর্তমানে নানাভাবে আমরা একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারি। প্রযুক্তি এখন এতটাই উন্নত। আমরা কিন্তু ফোনের মাধ্যমে সহজেই যোগাযোগ রাখতে পারি একে অপরের সঙ্গে। এই সময় শারীরিক ভাবে পরস্পরের থেকে দূরে থাকাটা জরুরি।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!