Noboborsho of Shruti Das: ২০২৩ সালে হঠাৎই বিয়ে করেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাস। পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দারের সাথে গাঁটছড়া বাধেন অভিনেত্রী। বিয়ের পর ৯ মাস কাটিয়ে ফেলেছেন তারা। বিয়ের পর প্রথম বছর দোল কাটাতে কাটোয়াতে পৌঁছে গিয়েছিলেন পরিচালক। তবে নববর্ষ উদযাপনে একা একা দুজন (Noboborsho of Shruti Das)। বিয়ের পর প্রথম নববর্ষ উদযাপনে একসাথে নেই শ্রুতি স্বর্ণেন্দু। শ্রুতি আপাতত কাটোয়াতে। আর স্বর্ণেন্দু তার কাজ নিয়ে ব্যস্ত কলকাতাতে। বাংলা নববর্ষ কিভাবে কাটাবেন এই জুটি জানিয়েছেন এক সাক্ষাৎকারে।
নববর্ষ কি করে কাটাবেন অভিনেত্রী (Noboborsho of Shruti Das)?
বাঙ্গালীদের মনে নববর্ষ নিয়ে বিরাট আলোচনা। খাওয়া-দাওয়া, জামা কাপড় পরা থেকে শুরু করে পুজো দেওয়া সবকিছুই চলতে থাকে। শ্রুতি বললেন, “এবার নববর্ষে ছোটবেলার স্মৃতিতে ফিরতেই কাটোয়ার বাড়িতে চলে এসেছি। এই দিনে ছোটবেলায় যেটা করতাম, এবার সেটাই করব। আমাদের এখানে খুবই জাগ্রত ক্ষেপা কালীমা রয়েছেন, অনেকে ক্ষেপিমাও বলেন, ওঁর কাছে পুজো দিয়েই দিনটা শুরু করব। আর বিকেলে ঘুরু ঘুরু, খাওয়া-দাওয়া এই আরকি! বিকেলে মা, কাকীমণি আর জ্যাঠিমণির সঙ্গে বের হব। আমাদের এখানে হালখাতার বিষয়টা নেই। এমনিই যাই, বিভিন্ন দোকান থেকে নিমন্ত্রণ থাকে (Noboborsho of Shruti Das)“।
বাঙালিদের কাছে যে কোন উৎসব মানেই খাওয়া দাওয়া। এবারের নববর্ষে কি খাবেন অভিনেত্রী শ্রুতি। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, “খাওয়া-দাওয়া এক্কেবারে বাঙালি বাড়িতে নববর্ষে যেমন হয়, তেমনই (Noboborsho of Shruti Das)। তবে খুব বেশি খাব না। এত্ত গরমে আমার বেশিকিছু খেতে ভালো লাগে না। তাই মাকে বেশি খাটাব না। আর যখনই বাড়ি আসি, তখন সবাই এত ডেকে ডেকে খাওয়ায়, যে মোটা হয়ে যাচ্ছি। তাই এবার এক্কেবারেই বেশিকিছু খাওয়া যাবে না। তাও গত কয়েকদিন টানা মটন খেয়ে ফেলেছি। তাই মেনু থেকে ওটা বাদ। নববর্ষের মধ্যাহ্নভোজে মাছ, চিকেন, এইসব থাকবে। আসলে ছোটবেলার দিনগুলি ফিরে পেতেই এখানে এসেছি। এখন তো কাজের চাপে সবই হারিয়ে ফেলছি”।
নববর্ষের ছোটবেলার স্বাদ পেতে নিজের এলাকায় ফিরে গেছেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাস (Noboborsho of Shruti Das)। তার আইনি বিয়ে করা বরের কথা অবশ্যই মনে পড়েছে। নববর্ষের দিন একসাথে থাকা না হলেও, নববর্ষের পর কলকাতা ফিরে গিয়ে একসাথে ঘুরতে যাবার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। সাক্ষাৎকারে স্বর্ণেন্দু প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানান, “তবে বরটার খুবই মন খারাপ, একসঙ্গে থাকতে পারলাম না। ওর খুবই কাজের চাপ যাচ্ছে। খুবই ব্যস্ত। তবে আমায় বলেছে, তুমি ফিরলে কোথাও একটা ঘুরতে নিয়ে যাব। আমিও বলেছি, ঠিকআছে তাই হবে”।
নববর্ষের জন্য কি কেনাকাটা করেছেন অভিনেত্রী (Noboborsho of Shruti Das)?
শ্রুতি জানিয়েছেন, “আমাদের সবে তো রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে। তাই এটাই প্রথম বছর। তাই এত কিছু পাচ্ছি, নিজেকে কিছু কিনতে হচ্ছে না। মা বলেছে, সোনার কিছু একটা দেবে, সেটা আজই পাব। আর কাকিমণিও সোনার কিছু একটা দেবে। আর জামাকাপড় তো আমার অনুরাগীরাই অনেক কিছু পাঠিয়েছেন। নতুন বাড়িতে যাওয়ার পর থেকে এত্ত উপহার পাচ্ছি। শাড়ি, চুড়িদার, গয়না, আরও কত কী। আমাকে আপাতত কিছুই কিনতে হচ্ছে না”। তবে বাবা মাকে দেওয়ার জন্য কিছু কিনেছেন অভিনেত্রী। বাবার জন্য কিনেছেন একটা পাঞ্জাবি। মায়ের জন্য শাড়ি অর্ডার করা হলেও সে শাড়ি এখনো এসে পৌঁছায়নি।
নববর্ষ উপলক্ষে স্বর্ণেন্দু কি দিয়েছেন শ্রুতিকে (Noboborsho of Shruti Das)?
শ্রুতি জানিয়েছেন, “এই উপলক্ষে তেমনভাবে কিছু পায়নি তবে আমি উপহার পেতেই থাকি ওর থেকে” (Noboborsho of Shruti Das)। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলছেন, “ও আমাকে অনেক ছোট ছোট পুতুল দেয়, আমি ভালোবাসি বলে। এই কয়েকদিন আগেই বিয়ের ৯ মাস হল, তখন ১২ মাসের ১২টা গোলাপ আর ছোট্ট টেডি বিয়ার দিয়েছে।শ্বশুরবাড়ির লোকজনও তাই, ছোট ছোট নানান জিনিস কিনে আনে। ক্লিপ, টিপের পাতা, এসব…। ছোট ছোট উপহারেই আমি খুশি। মাসি শাশুড়ি একটা শাড়ি দিয়েছেন, ওটাই ১লা বৈশাখে পড়ব” (Noboborsho of Shruti Das)।
সাক্ষাৎকারে বিয়ে প্রসঙ্গে কথা বলেন শ্রুতি দাস। কবে বিয়ে করছেন, এই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী জানান, “ডেট পেলেই করে নেব। ডেটই পাচ্ছি না। একটা ডেট পেয়েছিলাম, তবে আমার বোন-ভাইদের পরীক্ষা, তাই ওইদিন করতে পারব না। তবে ২০২৫-এই করব, তবে কোন মাস সেটা ঠিক হয়নি। দেখি কালই তো নববর্ষে পঞ্জিকা বের হবে, তখনই ডেট দেখা হবে (Noboborsho of Shruti Das)“।





