এখনও হিংসার আঁচে জ্বলছে সন্দেশখালি। জমি, বাড়ি কেড়ে নেওয়া থেকে শুরু করে শ্লী’ল’তা’হা’নি একের পর এক অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জারি করেছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এবার অবশেষে এই অশান্তি নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূল তারকা-সাংসদ নুসরত জাহান। এক্স হ্যান্ডেলে লিখলেন, “কে কি বলল কিছু যায় আসে না”।
কী বললেন নুসরত?
এক্স হ্যান্ডেলে নুসরত লিখলেন, “একজন মহিলা এবং জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি সবসময় আমার দলের নির্দেশিকা মেনেই চলি। এবং জনসেবা করারই চেষ্টা করি। সন্দেশখালিতে ইতিমধ্যে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী সাহায্যের হাত বাড়ি দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনাও করা হয়েছে। আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুসময় কিংবা দুঃসময়, আমি আমার সংসদীয় এলাকার মানুষদের সঙ্গে আছি”।
নুসরতের কথায়, প্রশাসনের উপর তাঁর আস্থা রয়েছে। শান্তি ফেরানোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের উপর সকলের বিশ্বাস রয়েছে। যেটা ভুল তার নিন্দা অবশ্যই করুন। তবে আমাদের একে অপরকে নিশানা করা ঠিক নয়। আসুন সকলে মিলে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করি। শান্তি ফেরানো এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। বাকি কে কি বলল কিছু যায় আসে না। আমি আগেও বলেছি, আবার বলছি রাজনীতি করবেন না”।

প্রসঙ্গত, গত মাস থেকেই উত্তপ্ত সন্দেশখালি। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়ি তল্লাশিতে গেলে ইডির উপর হামলা চালায় শাহজাহানের অনুগামীরা। এরপর চলতি মাসের শুরুর দিক থেকেই তৃণমূল নেতাদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সন্দেশখালির মহিলারা। ভিটেমাটি দখল করা তো বটেই, তাদের শ্লী’ল’তা’হা’নি, শারীরিক অত্যাচারেরও অভিযোগ করেন তারা। এই ঘটনায় শাহজাহানের সাগরেদ উত্তর সর্দার ও শিবু হাজরাকে গ্রেফতার করলেও এখনও ফেরার মূল পাণ্ডা শেখ শাহজাহান।
সন্দেশখালির এই পরিস্থিতি নিয়ে বারবার শাসক দলকে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএমের মতো বিরোধী দলগুলি। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুজিত বসু ও পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি গেলেও দেখা মেলেনি এলাকার সাংসদ নুসরত জাহানের। তাঁর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এর আগে একবার সন্দেশখালি নিয়ে কথা বললেও সেভাবে কিছু বলতে শোনা যায়নি তাঁকে। এবার গতকাল ফের এই ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন তিনি।





