আজ শিবের রুদ্র অবতার কালভৈরবের পুজোর পুণ্যতিথি, জেনে নিন পুজোর তথ্যাদি

আজ শিবের অপর এক অবতার কালভৈরবের পুজোর পুণ্যতিথি। প্রতি মাসে কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পালিত হয় কলাষ্টমী তিথি। এই দিনটি কলাষ্টমী, ভৈরবাষ্টমি ইত্যাদি নামে পরিচিত। এই দিনে দেবী দুর্গার পুজো এবং উপবাস করাকে পূণ্য রূপে বিবেচনা করেন অনেকে।

কালভৈরবকে কলাষ্টমীর দিন এবং কলাভৈরব এবং মা দুর্গার পুজোর রীতি রয়েছে। এই রাতে যারা মা কালীর আরাধনা করেন তাদের অর্ধরাত্রির পরে মা দুর্গার আরাধনা অবশ্যই করা উচিত। যেমন সপ্তমীর দিন দেবী কাল রাত্রীর পুজো করার রীতি রয়েছে। এই দিনে শক্তি অনুসারে দেবী পার্বতী এবং দেবাদীদেব শিবের কাহিনী শোনার পরে মায়ের নাম কীর্তনের আয়োজন করা আবশ্যক। এই দিনের উপবাস ফলদায়ক বলে মনে করা হয়। এই দিনে কুকুরকে খাওয়ানোও শুভ বলে মনে করা হয়।

প্রচলিত আছে, পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, একদিন ভগবান ব্রহ্মা এবং বিষ্ণুর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের বিরোধ দেখা দিল। সমস্ত দেবদেবী এবং ঋষিরা এই বিরোধের নিষ্পত্তি হেতু শিবের স্মরণাপন্ন হন। সমস্ত দেবতা ও ঋষিদের সম্মতিতে শিবকেই সর্বোত্তম বলে বিবেচিত করা হলে তাতে প্রজাপতি ব্রহ্মা সহমত হননি। এর ফল স্বরূপ ব্রহ্মা শিবকে অপমান করতে শুরু করলেন। এমন কথা শুনে মহাদেবের ক্রোধের ফলে জন্ম হয় কালভৈরব এর। একই দিন থেকেই, কলাষ্টমীর উৎসবে শিব এর রৌদ্র রূপের অবতার কালভৈরবের পুজো হতে শুরু করে।

কালাষ্টমীর উপবাসকে খুব ফলপ্রসূ মনে করা হয়। এই দিনে উপবাস করে, কালের ভৈরবের আরাধনা করলে ব্যক্তির সমস্ত দুর্ভোগ এবং কাল তাঁর কাছ থেকে দূরে সরে যায়। এ ছাড়া ব্যক্তি রোগ থেকে দূরে থাকে। এছাড়াও, তিনি প্রতিটি কাজে সফলতা আসে। শুনে নিন কাল ভৈরবের স্তোত্র-

RELATED Articles

Leave a Comment