আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে চলছে প্রতিবাদ-আন্দোলন। দুর্গাপুজোর আবহেও দিকে দিকে চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। জুনিয়র চিকিৎসকরাও কর্মবিরতি তুলে নিলেও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এবার নির্যাতিতার মা-বাবাও পুজোর দিনগুলিতে অবস্থানে বসতে চলেছেন বলে জানা গেল।
জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, পুজোর সবদিনেই তারা বাড়ির সামনেই অবস্থানে বসবেন। কোনও প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ করবেন না তারা। তবে ষষ্ঠী থেকে দশমী অবস্থানে বসবেন তারা। এর আগে জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন তারা। এবার নিজেরাও বসবেন অবস্থানে।
নির্যাতিতার মা আগেই জানিয়েছেন যে তাদের বাড়িতেও প্রতি বছর দুর্গাপুজো হত। কিন্তু পুজোর দু’মাস আগেই তাঁর বাড়ির উমার বিসর্জন হয়েছে। তাদের বাড়িতে আর দুর্গাপুজো হবে না, তাও জানিয়েছেন তিনি। নির্যাতিতার মা জানান, এবারের পুজোর জন্যই মা দুর্গার শাড়ি কেনা হয়ে গিয়েছিল। ঢাকির বায়নাও দেওয়া হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন সেসব স্মৃতি। মা দুর্গার কাছে তাদের এখন একটাই চাওয়া, দোষীরা শাস্তি পাক। মেয়ের বিচার হোক।
উৎসবে ফিরেছে মানুষ। মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ঠাকুর দর্শন। মণ্ডপে মণ্ডপে নেমেছে মানুষের ঢল। উদ্বোধন সারছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের বাড়িতে নেমেছে অন্ধকার। সেই অন্ধকার আর কোনও পুজোতেই হয়ত মেটা সম্ভব নয়!





