প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস পরিস্থিতি, এলাকায় নেই জল, তীব্র জলের সংকটের জেরে বিডিওর উপর ক্ষোভ জারি বাসিন্দাদের

গরমে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে আর এরই মাঝে যদি হয় জলের সমস্যা (water crisis)। কি ভয়ানক পরিস্থিতি হতে পারে তা অবশ্যই আঁচ করতে পারছেন আপনি। তীব্র জলের সমস্যা দেখা দিয়েছে মহিষাদলেী। ‌ জলের ট্যাংকে কল লাগানো থাকলেও তা দিয়ে জল পড়ছে না। আর তাই জল কষ্ট ভুগতে হচ্ছে এলাকাবাসীদের। জলকষ্টের (water crisis) চিত্র ফুটে উঠেছে মহিষাদলে। সেখানকার বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে জলের সমস্যায়।

মহিষাদলের এক বাসিন্দার কথায়, “এই এলাকায় প্রচুর দোকান রয়েছে রয়েছে, এসবিআই এর মত বড় ব্যাঙ্ক। সেখানে এই ট্যাঙ্ক থেকেই জল আসে। এক বছরের বেশি সময় ধরে সেই ট্যাঙ্ক থেকে জল আসছে না। আরেকটু দূরে একটি ট্যাঙ্ক থাকলেও, সেখানেও কেউ জল পাচ্ছে না। যেন আমরা প্রয়োজন মত জল পাই তাই আমরা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। তাই আমরা জল পাওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি (water crisis)।”

তীব্র গরমে দূর থেকে জল (water crisis) নিয়ে আসতে হয় মহিষাদল বাসিন্দাদের। আবার বেশি জল ব্যবহারে সেখানে পয়সার কথা উঠে আসছে। ইলেকট্রিকের একটা বিল করে সেখানে পয়সা দিতে হয়। সরকারি কল হলে সেখানে আমাদের কোন পয়সা দিতে হত না।

মহিষাদলের অপর এক বাসিন্দার কথায়, “আমাদের সমস্যা হচ্ছে জলের ট্যাঙ্ক অনেকদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। অনেক দূর দূরান্তে যেতে হচ্ছে জল আনতে। এক বছরের বেশি সময় ধরে আমরা জল পাচ্ছি না। স্থানীয় কোন দোকানদার ও জল পাচ্ছেন না। কিনে এনে তো কাউকে দেওয়া সম্ভব নয় তবে যতটা সম্ভব চেষ্টা করি জল দেওয়ার। আমাদের দাবি এই জল ট্যাঙ্কটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঠিক হয়ে যায়। প্রশাসনকে অনেক জানিয়েও সুরাহা হয়নি (water crisis)।”

এ প্রসঙ্গে মহিষাদলের বিডিও বরুনাশিষ সরকার বলছেন, “জল মিশনের প্রক্রিয়াটা বহুদিন ধরে চলছে আমরা এলাকার প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে জল ঢোকানোর ব্যবস্থা করছি। আগে থেকেই এই সমস্যাটা ছিল গরমের জন্য জল সমস্যা (water crisis) তীব্র আকার ধারণ করেছে। তবে অতি শীঘ্রই সব জায়গায় যাতে জল পৌঁছে যায় তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের কাছে কোন রিপোর্ট নেই যে জল পাচ্ছে না, আমরা আছি, যদি কোন সমস্যা হয় তবে অবশ্যই তার সমাধান করা হবে।”

RELATED Articles