৪০ মিনিটের ধস্তাধস্তি, ক্ষ’তবিক্ষ’ত গো’পনাঙ্গ! সুস্মিতার পর, সায়কের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন স্যান্ডি সাহা! ইনফ্লুয়েন্সারের বি*স্ফোরক অভিযোগে সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্য!

সম্প্রতি অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তীকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। কিছুদিন আগে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং যৌন পরিচয় নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন বউদি সুস্মিতা রায়। সেই ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন স্যান্ডি সাহা। তিনি লাইভে এসে সায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন। এই মন্তব্য ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। যদিও সায়ক এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। ফলে পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

স্যান্ডি সাহার দাবি, কয়েক বছর আগে একটি কাজের সূত্রে সায়কের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়। শুটিংয়ের কাজ শেষ হওয়ার পর তারা একসঙ্গে সময় কাটান এবং মদ্যপানও করেন। সেই সময় তিনি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন বলে জানান। স্যান্ডির অভিযোগ, ওই সুযোগই নেন সায়ক। এরপর জোর করে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। এই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি জানান, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

স্যান্ডি আরও বলেন, প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। সেই সময় শারীরিক ধস্তাধস্তির মধ্যেই সায়কের গুরুতর আঘাত লাগে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ঘটনাতেই সায়কের গোপনাঙ্গে চোট লাগে। পরে তাঁর এক বন্ধু এসে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং তাঁকে উদ্ধার করেন। একই সময়ে সায়ককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলেও জানান স্যান্ডি। এই ঘটনার পর থেকেই তিনি সায়কের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

আরও পড়ুনঃ বর্ষীয়ান অভিনেতা থাকেন ‘রামায়ণ’ বাড়িতে, এদিকে জামাই জাহির ইকবাল মুসলিম! আন্তঃধর্মীয়তায় আপত্তি? মেয়ে সোনাক্ষীর বিয়েতে খুশি নন বাবা, মুখ খুলে কী জানালেন শত্রুঘ্ন সিনহা?

তবে এখানেই থেমে থাকেননি স্যান্ডি সাহা। তিনি দাবি করেন, পরে সায়ক তাঁর কাছে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। যদিও সেই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক হয়নি। এছাড়াও তিনি আরও কিছু ব্যক্তিগত অভিযোগ করেন, যেখানে তিনি ইঙ্গিত দেন যে সায়কের অন্যদের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এমনকি কিছু ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও তাঁকে দেখানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন স্যান্ডি। এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও সায়ক চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলেছিলেন স্যান্ডি সাহা। কিন্তু সেই সময় বিষয়টি খুব বেশি গুরুত্ব পায়নি। পরে সুস্মিতা রায়ের মন্তব্য সামনে আসার পর এই পুরনো অভিযোগ আবার নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে। এখন এই সমস্ত অভিযোগের কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। সায়ক চক্রবর্তী এখনও এই বিষয়ে নীরব রয়েছেন। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সত্য কী, তা স্পষ্ট নয়।

RELATED Articles