পূর্ব বর্ধমানের লোকসভার গণনাকেন্দ্রে ছড়ালো ভূতের আতঙ্ক।

ভূতের আতঙ্ক ছড়িয়ে পরলো পূর্ব বর্ধমানের লোকসভার গণনা কেন্দ্র এমবিসি ইন্সটিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে৷ ভূতের আতঙ্কে রীতিমতো ভীত সেখানকার ভোট কর্মীরা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও।

শোনা যাচ্ছে যে রাত ১২ টার পরই নাকি এই স্থানে হয় ভূতের উপদ্রব৷ খালি গলায় সেখানে কেউ গান ধরলেই ভেসে আসে হারমোনিয়াম এর আওয়াজ সঙ্গে তবলার বোল৷ মাঝে মাঝে ঘুঙুরের শব্দও৷ এই সমস্ত ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কগ্রস্ত সেখানকার ভোট কর্মীরা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরাও।

গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন রয়েছে রাজ্য পুলিশ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবুও ভূতের ভয় দূর করতে অক্ষম তারা। স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মীর দাবী রাত ১২ টার পরই সেই কলেজ বিল্ডিং-এ হানা দেয় ভূত। হারমোনিয়াম, ঘুঙুর, তবলার শব্দের পাশাপাশি বাথরুমে গেলেও নাকী হয় ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা। মনে হয় যেন পেছন পেছন কেউ আসছে।

এরপরই সেখানকার এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান যে, এই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটির বিল্ডিং একসময়ে ছিল এক রাজবাড়ি। বাইজী নাচ সহ গান বাজনা সহযোগে জলসা বসতো সেখানে৷ তাঁর দাবী, এখনও সেই রাজপরিবারের অতৃপ্ত কোনো অশরীরী আত্মাই ঘুরে বেড়ায় সেই হানা বাড়িতে। সেই কলেজের ১২ মাস কাজ করা সিকিউরিটি গার্ডরাও নাকী জানিয়েছেন যে এইস্থানে একা কাজ করতে তাদের বেশ গা ছমছম করে। নানান সময়ই হয় নানান ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা।

তবে অনেক রাজনৈতিক নেতাদের দাবী যে, কোনো ভূত নয়, বরং এখানে চলছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। ইভিএম-এ কারচুপি করতেই সাধারণ মানুষ এবং ভোট কর্মীদের এই ভয় দেখানো হচ্ছে। যাতে তারা রাত করে এক ঘরেই সীমাবদ্ধ থাকেন। আর ইভিএম-এ কারচুপি সহজেই করা যায়। কারণ যাই হোক না কেনো, এই যুগে দাঁড়িয়ে ভূতে বিশ্বাস না করেও যে এই ঘটনায় সবাই বেশ আতঙ্কিত হয়ে পরেছেন তা বেশ স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে।

আরও অন্যান্য খবর