সভাপতি পদে ব্যাপক রদবদল করা হলো শাসক দলে। জেনে নিন কে কোথায়?

লোকসভা নির্বাচনে ভোটব্যাঙ্ক কমার পর স্বাভাবিকভাবেই চাপে শাসক দল। কেন এই পরিস্থিতি দাঁড়ালো তার ময়নাতদন্তের জন্য আজ তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয় কালীঘাটে। সেই বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে এসে দলে বিভিন্ন রদবদলের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী৷

বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি সবার কাজ দেখাশোনা করবেন বলে তাঁর দায়িত্ব কমানো হয়েছে বলে জনান মুখ্যমন্ত্রী।

 

অপরদিকে উত্তরবঙ্গে ভরাডুবির পর উত্তরবঙ্গের চেয়ারম্যান করা হলো অমর সিং রাই-কে। পর্যবেক্ষক হলেন অরূপ বিশ্বাস এবং উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন বিজয় বর্মন। অপরদিকে NBSTC এবং HRBC এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হলো যথাক্রমে অপূর্ব সরকার এবং দীনেশ ত্রিবেদীকে। এছাড়াও মালদা জেলার সভাপতি এবং মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান করা হয় মৌসম বেনজির নূর -কে।

জঙ্গলমহলেও এবারে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হলো শুভেন্দু অধিকারিকে। অন্যদিকে ঝাড়গ্রামের সভাপতি হলেন বীরবাহা সোরপন। বাঁকুড়া এবং বিষ্ণুপুরের সভাপতির দায়িত্ব পেলেন যথাক্রমে শুভাশীষ বটব্যাল এবং শ্যামল সাঁতরা৷ এছাড়াপ হাওড়া, হুগলি, বীরভূম,এবং বর্ধমানের পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় থাকছেন ফিরহাদ হাকিম। হুগলি জেলার চেয়ারম্যান থাকছেন রত্না দে নাগ৷

আবার উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর সভাপতি হলেন যথাক্রমে কানহাইয়ালাল আগরওয়াল এবং অর্পিতা ঘোষ। চেয়ারম্যান হলেন অমল আচার্য। মুর্শিদাবাদ জেলার সভাপতির দায়িত্ব পেলেন আবু তাহের খান এবং চেয়ারম্যান হলেন সুব্রত সাহা৷ বর্ধমান পশ্চিম এবং বর্ধমান পূর্বের সভাপতির দায়িত্বে রইলেন যথাক্রমে জিতেন তিওয়ারি এবং স্বপন দেবনাথ।

কৃষ্ণনগর এবং রানাঘাটের দায়িত্ব দেওয়া হলো যথাক্রমে মহুয়া মৈত্র এবং শংকর সিংহকে৷ এছাড়াও লোকসভার দলনেতা হিসেবে বাছাই করা হলো সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মুখ্য সচেতক হলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং উপ দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হলেন কাকলি ঘোষদস্তিদার।

আরও অন্যান্য খবর