রাজ্যে ঘটল ফের এক ন্যক্কারজনক ঘটনা। নিজের মেয়েক ধ’র্ষ’ণ করার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই নাবালিকা। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার কঠোরতম শাস্তির দাবী তুলেছেন স্থানীয়রা।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সুতি থানা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তির নাম আশরাফুল মোমিন। বেশিরভাগ সময়ই নানান রাজ্যে রাজমিস্ত্রির কাজের জন্য বাইরে বাইরেই থাকত বছর ৪৮-এর আশরাফুল। প্রায় দেড় মাস আগে বাড়ি ফেরে সে।
অভিযোগ, বাড়ি ফেরার পর থেকেই নিজের অষ্টম শ্রেণীতে পড়া মেয়েকে ক্রমাগত ধ’র্ষ’ণ করতে থাকে ছয় সন্তানের বাবা আশরাফুল। কিছুদিন আগে ওই নাবালিকা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। সেই কারণে তাকে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায় তার মা। সেখানেই চিকিৎসকরা জানান যে ওই নাবালিকা গর্ভবতী।
কী জানাচ্ছেন নাবালিকার মা?
ওই নির্যাতিতার মায়ের কথায়, মাস দেড়েক আগে তার স্বামী আশরাফুল বাড়ি ফেরে। বাড়ি ফিরেই অশান্তি শুরু করে সে। এমনকি তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এরপর থেকেই মেয়ের উপর শুরু হয় অত্যাচার। ওই নাবালিকার মা জানান, এই ঘটনার কথা কাউকে বললে মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকিও নাকি দিয়েছিল তার স্বামী।
প্রানের ভয়ে বাবার এই জঘন্য কীর্তির কথা কাউকে সাহস জুগিয়ে বলতে পারে নি চোদ্দ বছরের নাবালিকা। তবে গতকাল, বুধবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতেই সব কথা জানাজানি হয়ে যায়। এদিন রাতেই সুতি থানার লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় বলেন, “লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই আমরা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছি। নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্টের ব্যবস্থা করা হচ্ছে”।





