ফের যৌ’ন হেনস্থার শিকার নাবালিকা। প্রতিবেশীর বাড়িতে টিভি দেখতে গিয়ে যৌ’ন নিগ্রহের শিকার তেরো বছরের কিশোরী। এই ঘটনায় অভিযুক্ত এলাকার এক তৃণমূল কর্মী। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত। ঘটনার কথা জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর করে ক্ষিপ্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযুক্তের শাস্তি দাবী করেছেন তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৫ ডিসেম্বর হুগলির বলাগড়ে। জানা গিয়েছে, সেখানকার এক নাবালিকা প্রতিবেশীর বাড়িতে টিভি দেখছিল। অভিযোগ, সেই সময় উত্তরপাড়ার বাসিন্দা অভিযুক্ত যুবক নাবালিকাকে হাত ধরে টেনে নিয়ে যায় একটি নির্মিয়মাণ ঘরে। সেখানে নাবালিকাকে যৌ’ন নিগ্রহ করে সে। এক প্রতিবেশী যুবক সেই ঘটনা দেখে নেয়। অভিযুক্তকে আটকানোর চেষ্টা করেন তিনি।
অভিযোগ, ওই তৃণমূল কর্মী ওই যুবককে হুমকি দেয় যে এই ঘটনা কাউকে জানালে ফল ভালো হবে না। গতকাল বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপরই অভিযুক্তর বাড়িতে নাবালিকার পাড়ার লোকজন চড়াও হয়। দুটি বাড়িতে ভাঙচুর করেন তারা। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন এলাকার বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। তিনি এদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছন। বলেন, “একটা তেরো বছরের মেয়েকে ধ’র্ষ’ণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত আবার হুমকি দিচ্ছে। পুলিশ তদন্ত করছে। অপরাধীকে গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে”।
বিধায়ক আরও বলেন, “দুষ্কৃতীরা কোনও দলের হয় না। এরা অপরাধ করে। মানুষকে ভয় দেখায়। তারপর দলের নামে দোষ দেয়”।
এই ঘটনায় এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “অভিযুক্ত যুবকরা চার ভাই। ওরা পাড়ায় কারো সঙ্গেই ভালো ব্যবহার করে না”।
তবে ছেলের দিকে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তের বাবা আনন্দ বিশ্বাস। তিনি বলেন, “আগে কংগ্রেস করতাম পরে ৯৮ সাল থেকে তৃণমূল করি। দলের সব কর্মসূচীতে থাকি। ওরা বলছে ছেলে অপরাধ করেছে। কী হয়েছে জানিনা ।তবে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের আমার উপর আক্রোশ অনেক দিনের”। তাঁর কথায়, তাঁর ছেলেকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।





