চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। সেই তৃণমূল নেতাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে। মহিলাকে গ্রেফতার পুলিশের,। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ফ্রেজারগঞ্জে।
কী ঘটেছে আসল ঘটনা?
স্থানীয় সূত্রে খবর, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম স্বপন দাস। নূপুর হাজরা নামে এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছেন। মহিলার দাবী, চাকরি ও সরকারি প্রকল্পে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ধাপে ধাপে টাকা নিয়েছেন তৃণমূল নেতা। তিনি প্রতিশ্রুতি দিলে তৃণমূল নেতাকে টাকাও দিয়েছিলেন ওই মহিলা। কিন্তু অভিযোগ চাকরিও মেলেনি আর টাকা ফেরত চাইলে, তাও মেলেনি। শুধু ওই মহিলাই নন, গ্রামের অনেক মানুষের সঙ্গেই একইভাবে প্রতারণা করেছেন ওই তৃণমূল নেতা, এমনটাই অভিযোগ।
ওই প্রতারিত মহিলা জানান, এ নিয়ে একাধিক নেতার কাছে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। এরপরই গ্রামের ওই প্রতারিতদের হাতে আক্রান্ত হন তৃণমূল নেতা। ইউ তৃণমূল নেতা ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এরপরই আক্রান্তদের তরফে নুপুর হাজরার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করা হয়। জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতার স্ত্রীয়ের অভিযোগে নূপুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আক্রান্ত তৃণমূল নেতার স্ত্রী ফ্রেজারগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত নূপুরের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হন তিনি। নূপুরের বক্তব্য, “আমার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। এখন টাকা আর ফেরত দিচ্ছেন না। শুধু বলছে, আজ চাকরি দেব, কাল চাকরি দেব। আমাকে অপমান করছে টাকা চাইলে”।
কী বক্তব্য অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার?
অভিযুক্ত নেতা এই বিষয়ে বলেন, “গাড়ি কেনাবেচা নিয়ে ওই মহিলার সঙ্গে টাকার লেনদেন হয়েছিল। ওই ভদ্রমহিলার কাছ থেকে গাড়ি কেনা হয়েছিল। কিন্তু তার কাগজপত্র বৈধ ছিল না। তাই নিয়ে কেস চলছে কাকদ্বীপ আদালতে। আর যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে সেই সময় আমি ডায়মন্ড হারবার জেলে ছিলাম। তাহলে তখন টাকা নিলাম কী করে? সবটাই মিথ্যা কথা”।





