‘CAA নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, অসত্য কথা বলছেন’, তমলুকে গিয়ে মমতার বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

গতকাল, সোমবারই গোটা দেশে কার্যকর করা হয়েছে সিএর। লোকসভা ভোটের আগে যে এটা কেন্দ্র সরকারের একটা বড় মাস্টারস্ট্রোক, তা বলাই বাহুল্য। সিএএ নিয়ে এর আগেও বিরোধিতা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবারও তা করেই চলেছেন তিনি। এরই মাঝে এবার মমতাকে কটাক্ষ শানালেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করছেন”।

আজ, মঙ্গলবার সকালে পূর্ব মেদিনীপুর যান অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি যান বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে সংবর্ধনা দেওয়া হয় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এরপর নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ার একটি মন্দিরে পুজোও দেন তিনি। এরপর মুখোমুখি হন সাংবাদিকদের।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকার ও তৃণমূল নেতৃত্বকে কটাক্ষ করেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সিএএ-তে কারও নাগরিকত্ব হারানোর কোনও বিষয় নেই। ডিটেনশন ক্যাম্পেরও কোনও প্রশ্নই নেই। মুখ্যমন্ত্রী গোটা বিষয়টার ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। উনি সবসময় অসত্য কথা বলেন। এ বিষয়ে উনি পটু। এবারও তাই করছেন। সত্যটা সামনে তুলে ধরার পর লাজ-লজ্জা থাকলে উনি মুখ দেখাবেন না কোথাও”।

তাঁর দাবী, “আমার একটা আবেদন থাকবে তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়। তৃণমূলের জালিয়াতি ও দুর্নীতি দেখলাম। এই দুর্নীতি গ্রস্ত সরকারকে সরিয়ে ২০২৬ সালে বাংলায় ক্ষমতায় আসতে হবে। ৫০০-১০০০ টাকা দিচ্ছে, প্রতিদিন এক কোটি টাকা করে চুরি করছে। এটাকে ধ্বংস করতে হবে। আগে নাম ঘোষণা হোক তারপর তো সংসদে যাব”।

সিএএ নিয়ে কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

প্রথম থেকেই সিএএ-র বিরোধিতা করেছেন মমতা। হাবড়ার সভা থেকে সুর চড়িয়েছেন সিএএর বিরুদ্ধে। তাঁর কথায়, তিনি কারোর নাগরিকত্ব কেড়ে নিতে দেবেন না। ডিটেনশন ক্যাম্পে কাউকে যেতে দেবেন না বলে দাবী করেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্যেরই পাল্টা দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।   

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে কী বলেন শুভেন্দু?

এদিন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মানুষ গ্রহণ করেছে। সমস্যাটা হচ্ছে তোলামূলের। এসব লোক রাজনীতিতে এলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী অবস্থা হতে পারে, ভবিষ্যতে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝতে পেরেছে”।

আরও অন্যান্য খবর