পুজোর আগে নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে পুজোর উপহার নিয়ে পৌঁছে গেলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, কোনও দান নয়, তিনি নিজের এলাকার মানুষকে পুজোড় উপহার দিতে এসেছেন। তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের প্রত্যেক বিধানসভা এলাকার ৬-৭ হাজার মানুষকে বস্ত্র বিতরণ করার কর্মসূচি নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেই অনুযায়ী, গতকাল, সোমবার এই কর্মসূচির প্রথম দিন ছিল। এদিন অভিষেকের সভায় হাজির ছিলেন হাজার হাজার মানুষ। এমন জনজোয়ার দেখে অভিষেক ঘোষণা করেন যে আগামী বছর থেকে দুর্গা পুজোর আগে সকলের বাড়ির দরজায় পৌঁছে দেওয়া হবে উপহার। কাউকে আর কষ্ট করে কোথাও যেতে হবে না। কর্মীদের এমন নির্দেশ দিয়ে অভিষেক সকলের উদ্দেশে বলেন, “পরের বছর থেকে আমাদের কর্মীরা দরজায় গিয়ে উপহার দিয়ে আসবে আপনাদের”।
এদিন এই বস্ত্রদান প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, “এটা দান নয়। এটা পুজোর উপহার। আপনারা গ্রহণ করে আমাকে কৃতার্থ করবেন”। তিনি এও জানান, ৩-৪ হাজার শাড়ি আনা হয়েছে, কিন্তু মাঠে তখন উপস্থিত প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। সে কারণেই পরের বার দরজায় উপহার পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।
অভিষেকের রাজনীতির উত্থান এই ডায়মন্ড হারবার থেকেই। এখান থেকেই পরপর দু’বার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সোমবার এত জনসমাগম দেখে বেশ আপ্লুত হয়ে পড়েন অভিষেক। বলেন, “আমার জন্ম হয়ত দক্ষিণ কলকাতায় হয়েছে। আমি চাই আমার মৃত্যু যাতে এই মাটিতে হয়। আমাকে মানুষ যতটুকু চেনে, তা আপনাদের সমর্থনের জন্যই তা সম্ভব হয়েছে”।
এদিন অভিষেক উল্লেখ করেন যে ডায়মন্ড হারবারে উন্নয়নের ধারা বজায় রয়েছে। এদিন তিনি আরও একবার মনে করিয়ে দেন যে করোনা পরিস্থিতি হোক বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, নানান সস্ম্য তৃণমূল এখানে মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছে।
জানা গিয়েছে, সোমবারের পর ১৭, ১৮, ১৯ অক্টোবরও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে কর্মসূচি রয়েছে অভিষেকের। আরও মানুষকে বস্ত্র বিতরণ করবেন তিনি। প্রতিদিন দু’টি করে এমন কর্মসূচি রাখা হয়েছে দলের তরফে, এমনটাই খবর।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!