দেশের নাম কী হবে, ইন্ডিয়া নাম বদলে কী ভারত হবে, এখন সেই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এই নিয়েই এখন চর্চা চলছে গোটা দেশে। এরই মধ্যে এবার দেশের নামবদল নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, এই বিতর্ক আসলে নজর ঘোরানোর পন্থা বিজেপির। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এই জল্পনার জন্ম দিয়েছে বিজেপি নিজেই।
কী বক্তব্য অভিষেকের?
নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে দেশের এই নামবদল বিতর্ক নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “ইন্ডিয়া বনাম ভারত বিতর্ক আসলে বিজেপির তৈরি। নজর ঘোরানোর চেষ্টা। এতে বিভ্রান্ত না হয়ে বিজেপিকে মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, সাম্প্রদায়িক অশান্তি, বেকারত্ব এবং সীমান্ত সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন করুন। ডবল ইঞ্জিন সরকার আর ভুয়ো জাতীয়তাবাদ নিয়ে বিজেপির ফাঁকা আওয়াজের প্রতিবাদ করুন”।
দেশের নাম বদলের জল্পনা জোরালো হতেই তা নিয়ে বিরোধিতা করেছে বিরোধী শিবিরগুলি। কংগ্রেসের কথায়, এটা আসলে যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় আঘাত করা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দেশের নাম বদলের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
প্রসঙ্গত, সরকারিভাবে এখনও দেশের নাম বদলের কথা ঘোষণা হয়নি। তবে নানান ক্ষেত্রে দেশের নাম হিসেবে শুধুমাত্র ‘ভারত’ শব্দটির ব্যবহার লক্ষ্য করা গিয়েছে নানান সরকারি ক্ষেত্রে। যেমন জি-২০ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির তরফে আমন্ত্রণপত্রে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। এই নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজা তুঙ্গে ওঠে।
আবার গত মঙ্গলবার রাতেই দেখা গিয়েছে ‘দ্য প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত’ নাম। ২০তম ASEAN-ভারত শীর্ষ সম্মেলন এবং ১৮তম EAS শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ইন্দোনেশিয়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ, ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন। সেই সফরের আমন্ত্রণপত্রে ‘প্রাইম মিনিস্টার ইন্ডিয়া’র পরিবর্তে ‘প্রাইম মিনিস্টার অফ ভারত’ লেখা হয়েছে যা ফের নানান বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।





